সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আশির দশকের সাজে নিজেদের ছবি প্রকাশ করে নতুন এক নস্টালজিক প্রবণতায় মেতেছেন দেশের একঝাঁক তারকা। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সহায়তায় তৈরি এসব ছবিতে বর্তমান সময়ের পরিচিত মুখগুলোকে দেখা যাচ্ছে চার দশক আগের পোশাক, চুলের সাজ ও ছবির আবহে।
উজ্জ্বল রঙের শাড়ি, বেলবটম প্যান্ট, বড় কলারের শার্ট, কালো চশমা ও আশির দশকের জনপ্রিয় চুলের সাজ—সব মিলিয়ে ছবিগুলো তৈরি করা হয়েছে পুরোনো দিনের চলচ্চিত্র বা ম্যাগাজিনের আলোকচিত্রের আদলে। অনেক ছবিতে পুরোনো পোলারয়েডের আবহ ও তারিখের ছাপও রাখা হয়েছে।
বাইকে আশির দশকের নায়ক অপূর্ব
অভিনেতা জিয়াউল ফারুক অপূর্বকে দেখা গেছে আশির দশকের সাজে মোটরসাইকেলে বসে থাকতে। চোখে কালো চশমা, পোশাকেও পুরোনো দিনের ছাপ।
ছবিটি প্রকাশ করে তিনি লিখেছেন, ‘আশির দশকে অভিনেতা হওয়া মানে যা বোঝাত…।’
অভিনেত্রী মাসুমা রহমান নাবিলাও একই ধারায় ছবি প্রকাশ করেছেন। পুরোনো দিনের গান ও সাজের সময়টিকে স্মরণ করে তিনি আশির দশককে ‘সোনালী যুগ’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন।
বিদ্যা সিনহা মিমও নিজের আশির দশকের সাজের ছবি প্রকাশ করেছেন।
সাফা, ফারিণ ও তৌসিফও একই ধারায়
অভিনেত্রী সাফা কবীর আশির দশকের আদলে তৈরি নিজের ছবি প্রকাশ করে জানান, এই প্রবণতা এখন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমজুড়ে ছড়িয়ে পড়েছে। তাঁর পোস্টে অভিনেত্রী তাসনিয়া ফারিণও প্রতিক্রিয়া জানান।
ছোট পর্দার অভিনেতা তৌসিফ মাহবুবও একই ধরনের ছবি প্রকাশ করেছেন। ছবির সঙ্গে তিনি লিখেছেন, ‘আশির দশকের কোনো এক বিকেল থেকে।’
তালিকায় পড়শী, পূজা চেরিও
এই প্রবণতায় যুক্ত হয়েছেন সংগীতশিল্পী পড়শীও। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় তৈরি নিজের আশির দশকের রূপ প্রকাশ করে তিনি জানিয়েছেন, ১৯৮০ সালে থাকলে নিজেকে এমনই দেখতে হতে পারত বলে তাঁর ধারণা।
অন্য একটি প্রতিবেদনে অভিনেত্রী পূজা চেরি ও অভিনেতা ইরফান সাজ্জাদকেও এই প্রবণতায় অংশ নিতে দেখা গেছে। ইরফান সাজ্জাদ ছবিগুলোতে প্রায় একই ধরনের জ্যাকেট ব্যবহারের বিষয়টি নিয়ে মজার মন্তব্যও করেছেন।
ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রামে ছড়িয়ে পড়া এসব ছবি ঘিরে ভক্তদেরও ব্যাপক প্রতিক্রিয়া দেখা যাচ্ছে। অনেকেই তারকাদের এই পুরোনো দিনের সাজকে চলচ্চিত্রের পোস্টার বা ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদের সঙ্গে তুলনা করছেন।



