বোয়িং কেনায় তারেক রহমানকে ট্রাম্পের ধন্যবাদ , শিগগির সাক্ষাতের আশা

যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে বোয়িং উড়োজাহাজ কেনার সিদ্ধান্ত নেওয়ায় বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। একই সঙ্গে তিনি শিগগিরই বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সরাসরি সাক্ষাতের আশা প্রকাশ করেছেন।

বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা বাসস প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমনের বরাত দিয়ে এ তথ্য জানিয়েছে।

বাসসের প্রতিবেদনে বলা হয়, তারেক রহমানকে পাঠানো এক চিঠিতে ডোনাল্ড ট্রাম্প বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক, দেশটির ভবিষ্যৎ এবং বোয়িং উড়োজাহাজ কেনার সিদ্ধান্ত নিয়ে নিজের অবস্থান তুলে ধরেন।

চিঠিতে ট্রাম্প উল্লেখ করেন, নানা প্রতিকূলতার মধ্য দিয়ে গেলেও তারেক রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশ ও বাংলাদেশের জনগণের একটি উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ রয়েছে বলে তিনি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করেন।

বাংলাদেশের জনগণের প্রতিও আন্তরিক শুভেচ্ছা ও ভালোবাসা জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।

‘বোয়িং বাংলাদেশকে হতাশ করবে না’

চিঠিতে যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে বোয়িং উড়োজাহাজ কেনার সিদ্ধান্তের জন্য প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে বিশেষভাবে ধন্যবাদ জানান ট্রাম্প।

তিনি বলেন, “বোয়িং বাংলাদেশকে হতাশ করবে না।”

উড়োজাহাজ কেনার বিষয়টিতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ব্যক্তিগতভাবে যে মনোযোগ দিয়েছেন, সেটিও তিনি মনে রাখবেন বলে চিঠিতে উল্লেখ করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।

বাংলাদেশের বেসামরিক বিমান পরিবহন খাতের ভবিষ্যৎ চাহিদা বিবেচনায় যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে নতুন বোয়িং উড়োজাহাজ কেনার বিষয়টি সাম্প্রতিক সময়ে আলোচনায় এসেছে।

এর আগে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির বলেছিলেন, কোনো ধরনের মার্কিন চাপের কারণে বাংলাদেশ বোয়িং কেনার সিদ্ধান্ত নেয়নি। দেশের নিজস্ব প্রয়োজন ও চাহিদা বিবেচনা করেই এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে বলে তিনি জানান।

তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাতের প্রত্যাশা

চিঠিতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে শিগগির সরাসরি সাক্ষাৎ করার আশা প্রকাশ করেছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প।

তবে সম্ভাব্য ওই বৈঠক কোথায় বা কখন হতে পারে, সে বিষয়ে বাসসের প্রতিবেদনে কোনো তথ্য উল্লেখ করা হয়নি।

ট্রাম্পের এ বার্তা এমন সময়ে এলো, যখন বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে বাণিজ্য, বিনিয়োগ, উড়োজাহাজ ক্রয় এবং বৃহত্তর দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক নিয়ে যোগাযোগ বাড়ছে।

বোয়িং কেনার সিদ্ধান্তকে ঘিরে মার্কিন প্রেসিডেন্টের ব্যক্তিগত ধন্যবাদ এবং বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাতের আগ্রহ দুই দেশের সম্পর্কের উচ্চপর্যায়ের যোগাযোগে নতুন মাত্রা যোগ করতে পারে।

spot_img
spot_img

অধিক পঠিত

Related Articles