নড়াইলে ১০ বছর বয়সী এক মাদরাসাছাত্রকে ধর্ষণের মামলায় শিক্ষক মেরাজ আলীকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাঁকে তিন লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) দুপুরে নড়াইলের শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক শেখ ছামিদুল ইসলাম এ রায় দেন। আদালতের রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী (পিপি) আজিবুর রহমান আজিজ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
জরিমানার টাকা পাবে শিশুটির পরিবার
পিপি আজিবুর রহমান আজিজ জানান, যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের পাশাপাশি মেরাজ আলীকে তিন লাখ টাকা জরিমানা করেছেন আদালত। জরিমানার অর্থ আদায় করে ভুক্তভোগী শিশুটির পরিবারকে দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
দণ্ডপ্রাপ্ত মেরাজ আলী চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা উপজেলার রুদ্রপুর কালিয়াবকরি গ্রামের আমান উল্লাহ হকের ছেলে।
দুই মাসে একাধিকবার ধর্ষণের অভিযোগ
মামলা সূত্রে জানা গেছে, ১০ বছর বয়সী শিশুটি নড়াইল পৌরসভার রঘুনাথপুর এলাকার রহমানিয়া তাইছিরুল উলুম মাদরাসার শিক্ষার্থী ছিল।
২০২৫ সালের ১০ জুলাই রাতে মেরাজ আলী শিশুটিকে নিজের কক্ষে ডেকে নিয়ে ধর্ষণ করেন। বিষয়টি কাউকে না জানাতে তাকে ভয়ভীতি দেখানো হয়।
পরে শিশুটি মা-বাবাকে জানায়, এর আগের দুই মাসেও ওই শিক্ষক তাকে একাধিকবার ধর্ষণ করেছেন।
পালিয়ে যাওয়ার পর স্থানীয়দের হাতে আটক
ঘটনা জানাজানি হওয়ার পর মেরাজ আলী মাদরাসা থেকে পালিয়ে যান। পরে ১২ জুলাই স্থানীয় লোকজন তাঁকে আটক করেন।
এরপর ভুক্তভোগী শিশুটির মা বাদী হয়ে নড়াইল সদর থানায় মামলা করেন। মামলার বিচার শেষে সোমবার আদালত মেরাজ আলীকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও তিন লাখ টাকা জরিমানার আদেশ দেন।



