রিমান্ড শেষে কারাগারে গাজী নজরুলের দ্বিতীয় স্ত্রীর মামা

চার দিনের জিজ্ঞাসাবাদ শেষে আদালতে হাজির করা হয় ওবায়দুর রহমানকে; তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত কারাগারে রাখার আবেদন পুলিশের

সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামের দ্বিতীয় স্ত্রী মরিয়ম খাতুনের মৃত্যুর ঘটনায় করা আত্মহত্যায় প্ররোচনার মামলায় তার মামা ওবায়দুর রহমানকে চার দিনের রিমান্ড শেষে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত।

সোমবার (৫ অক্টোবর) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আরিফুল ইসলাম এ আদেশ দেন।

চার দিনের রিমান্ড শেষে ওবায়দুর রহমানকে আদালতে হাজির করে পুলিশ। এ সময় মামলার তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাকে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন তদন্ত কর্মকর্তা। শুনানি শেষে আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

১ অক্টোবর চার দিনের রিমান্ড

এর আগে গত ১ অক্টোবর ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট রিপন হোসেন ওবায়দুর রহমানের চার দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা গোয়েন্দা পুলিশের তেজগাঁও বিভাগের পরিদর্শক মোহাম্মদ সালাউদ্দিন তাকে পাঁচ দিনের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের আবেদন করেছিলেন। শুনানি শেষে আদালত চার দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

এর আগে ২২ সেপ্টেম্বর রাতে চট্টগ্রাম থেকে ওবায়দুর রহমানকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরদিন তাকে আদালতে হাজির করা হলে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেওয়া হয়।

ওবায়দুর মরিয়ম খাতুনের মামা। তিনি গাজী নজরুল ইসলামের ব্যক্তিগত গাড়িচালক হিসেবেও কাজ করেছেন।

ন্যাম ভবন থেকে মরিয়মের মরদেহ উদ্ধার

গত ২০ সেপ্টেম্বর রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের ন্যাম ভবনের একটি ফ্ল্যাট থেকে ১৯ বছর বয়সী মরিয়ম খাতুনের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

পরদিন মরিয়মের বাবা এস এম মাসুম বিল্লাহ শেরেবাংলা নগর থানায় আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগে মামলা করেন।

মামলায় সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলাম, তার প্রথম স্ত্রী মাকসুদা বেগম এবং মরিয়মের মামা ওবায়দুর রহমানকে আসামি করা হয়।

মামলার নথি অনুযায়ী, ২০২৬ সালের জুনে গাজী নজরুল ইসলামের সঙ্গে মরিয়মের বিয়ে হয়। ওই বিয়ের আয়োজনের সঙ্গে ওবায়দুর রহমানের সম্পৃক্ততা ছিল বলে তদন্তসংশ্লিষ্টদের দাবি।

মামলায় গাজী নজরুল ইসলামকে দুই দফায় রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। রিমান্ড শেষে তাকেও কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত। তার প্রথম স্ত্রী মাকসুদা বেগমকেও এক দিনের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে।

spot_img
spot_img

অধিক পঠিত

Related Articles