দুই দিন ধরে ‘নিখোঁজ’ হিসেবে খোঁজা হচ্ছিল দৈনিক নবচেতনার ফটোসাংবাদিক বাদল দাসকে। তার সন্ধান চেয়ে থানায় সাধারণ ডায়েরিও করেছিলেন সহকর্মী। পরে জানা গেছে, গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) তাকে রাজধানীর মতিঝিল এলাকা থেকে আটক করেছে। আদালতের মাধ্যমে তাকে কারাগারেও পাঠানো হয়েছে।
ঢাকা মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগের অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মো. শফিকুল ইসলাম বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) রাতে বাদল দাসকে আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
পুলিশের ভাষ্য, মঙ্গলবার মতিঝিল এলাকা থেকে বাদল দাসসহ আরও ছয়-সাতজনকে গাঁজাসহ হাতেনাতে আটক করে ডিবি। পরে তাদের আদালতে হাজির করা হলে কারাগারে পাঠানো হয়।
সোমবার থেকে খোঁজ মিলছিল না
এর আগে গত সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) থেকে বাদল দাসের কোনো সন্ধান পাওয়া যাচ্ছে না বলে জানিয়েছিলেন তার পরিবার ও সহকর্মীরা।
তার বন্ধু ও রুমমেট ফটোসাংবাদিক সুজিত শেখ বাবু এ ঘটনায় পল্টন মডেল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন।
ওই সময় পল্টন মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আরিফুল আলম জানিয়েছিলেন, বাদল দাসের নিখোঁজের বিষয়ে জিডি হয়েছে এবং পুলিশ তার সন্ধান নিশ্চিত করার চেষ্টা করছে।
অজ্ঞাত নম্বর থেকে এসেছিল ফোন
বাদলের সহকর্মীদের ভাষ্য অনুযায়ী, নিখোঁজ হওয়ার পর তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোনটি বসবাসের কক্ষেই পাওয়া যায়।
এর মধ্যে একটি অজ্ঞাত মোবাইল নম্বর থেকে সুজিত শেখ বাবুর কাছে ফোন আসে। ফোনে বাদল দাস ডিবি হেফাজতে রয়েছেন বলে জানানো হয়।
এরপর সুজিত মতিঝিল থানা ও ডিবি কার্যালয়ে যোগাযোগ করেন। তবে তখন পুলিশের পক্ষ থেকে বাদলকে আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়নি। পরে ওই অজ্ঞাত নম্বরে যোগাযোগের চেষ্টা করেও সাড়া পাওয়া যায়নি।
বুধবার রাতে ডিবির পক্ষ থেকে বাদল দাসকে আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।
বাদল দাস দৈনিক নবচেতনা পত্রিকার ফটোসাংবাদিক। তার বাড়ি পটুয়াখালী সদর উপজেলার ৩৫ সদর রোডের নতুন বাজার এলাকায়। তার বাবার নাম বাসু দেব দাস। ঢাকায় তিনি গুলিস্তানের শিশু কল্যাণ পরিষদ ভবনে থাকতেন।



