Skip to content

Imam Convention: ‘কথা রাখেননি মুখ্যমন্ত্রী’, মমতাকে প্রতিশ্রুতি স্মরণ করাতে সম্মেলনের পরিকল্পনা ইমাম-মুয়াজ্জিনদের

Imam Convention: 'কথা রাখেননি মুখ্যমন্ত্রী', মমতাকে প্রতিশ্রুতি স্মরণ করাতে সম্মেলনের পরিকল্পনা ইমাম-মুয়াজ্জিনদের

কলকাতা, 19 অক্টোবর: রাজ্যের শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেসের (TMC) বিরুদ্ধে সংখ্যালঘু তোষণের অভিযোগ তোলেন বিরোধীরা । কিন্তু, রাজ্যের ইমাম-মুয়াজ্জিনদের বৃহৎ অংশ সেই অভিযোগ মানতে নারাজ। বরং, তাঁদের পালটা দাবি, তোষণ তো দূরের কথা, 2012 সালে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ইমাম, মুয়াজ্জিন-সহ রাজ্যের সংখ্যালঘু উন্নয়নে যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, তার অধিকাংশটাই পূরণ হয়নি।

তাঁদের অভিযোগ, 2012 সালে নেতাজি ইনডোরে (Netaji Indoor Stadium) মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ইমাম, মুয়াজ্জিন-সহ রাজ্যের সংখ্যালঘু উন্নয়নে একাধিক প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। তার মধ্যে শুধুমাত্র ইমাম, মুয়াজ্জিন ভাতাটাই চালু হয়েছে। যদিও দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির বাজারে 1000 টাকা বা 2 হাজার 500 টাকায় জলও গরম হয় না, এমনটাই দাবি ইমাম-মুয়াজ্জিন যৌথ মঞ্চের।

দিল্লির ওয়াকফ বোর্ড ইমামদের মাসিক ভাতা 18 হাজার টাকা দিচ্ছে, সেখানে দশ বছর আগে চালু হওয়া মাত্র 2 হাজার 500 টাকা ভাতার কোনও পরিবর্তন নয় কেন, সেই প্রশ্নের জবাব চাওয়া হবে । একইসঙ্গে নভেম্বরের মাঝামাঝি সময়ে পরিকল্পিত সম্মেলনে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে আমন্ত্রণ করে একাধিক দাবি তোলা হবে । যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য কয়েকটি ডাবির কথা তুলে ধরেন সংখ্যালঘু যুব ফেডারেশনের রাজ্য সম্পাদক (State Secretary of Minority Youth Federation) মহম্মদ কামরুজ্জামান।

আরও পড়ুন: বাংলার রাষ্ট্রসংঘের পর্যটন পুরস্কার প্রাপ্তির কৃতিত্ব উত্তরবঙ্গকে দিলেন মমতা

তিনি বলেন, “গোটা রাজ্যের ওয়াকফ সম্পত্তি উদ্ধার করে ওয়াকফ বোর্ডের হস্তান্তর করা। সেই থেকে উদ্বৃত্ত টাকায় সংখ্যালঘু উন্নয়নে একাধিক প্রকল্প করা হোক । সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মনোনয়ন হোক । 10 হাজার 500টি মাদ্রাসার স্বীকৃতি দেওয়ার কথা ঘোষণা করা হয় । তা আজও হয়নি । কেন ? দ্রুত মাদ্রাসাগুলির অনুমোদন দেওয়া হোক ।” ইমাম-মুয়াজ্জিন যৌথ মঞ্চের তরফে নাখোদা মসজিদের ইমাম ক্বারী মওলানা শফিক বলেন, “মুসলিমদের উন্নয়নে 2012 সালে মুখ্যমন্ত্রী একাধিক প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। অধিকাংশটাই পূরণ হয়নি। যে ভাতা আমরা পেয়ে থাকি, তা খুবই নগণ্য। দিল্লি-সহ একাধিক রাজ্যে ইমামরা 18 হাজার টাকা ভাতা পেয়ে থাকেন। সে অনুযায়ী আমরা দাবি করব।”

উল্লেখ্য, এদিনের আলোচনায় বিজেপি শাসন-সহ একাধিক রাজ্যে বিজেপি শাসনকালে সংখ্যালঘুদের উপরে যে অন্যায় অবিচার সংঘটিত হচ্ছে সে বিষয়টিও আলোচিত হয় । তাই, নিজেদের দাবি দেওয়া আদায়ের বৃহৎ সম্মেলন প্রকাশ্য করার দাবি উঠলেও পরে তা বিজেপির পক্ষে সুবিধা হবে ভেবেই স্থান বদলে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। ফলে নভেম্বরের মাঝামাঝি সময়ে রানি রাসমণি রোডে প্রকাশ্য সমাবেশের পরিবর্তে নেতাজি ইনডোর স্টেডিয়ামে 50 হাজার ইমাম-মুয়াজ্জিনদের উপস্থিতিতে সম্মেলন করার পরিকল্পনা দিতে হয় এদিনের আলোচনায়।

আরও পড়ুন: বঙ্গভঙ্গ নয়, বঙ্গ চায় সঙ্গ, বাংলাকে ঐক্যবদ্ধ রাখার বার্তা মুখ্যমন্ত্রীর

বার্তা সূত্র