Skip to content

CPM: জলপাইগুড়িতে নির্বাচনের আগে তৃণমূল টাকা ছাড়ানো শুরু করেছে বলে সিপিএমের অভিযোগ

বেশ কয়েকদিন উত্তরবঙ্গের মাটি কামড়ে পড়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রবিবার তিনি উত্তরবঙ্গ থেকে যান পুরুলিয়ায়। মুখ্যমন্ত্রী উত্তরবঙ্গ ত্যাগ করার সঙ্গে সঙ্গেই তাঁর বাহিনী টাকা ও মস্তান…

বেশ কয়েকদিন উত্তরবঙ্গের মাটি কামড়ে পড়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রবিবার তিনি উত্তরবঙ্গ থেকে যান পুরুলিয়ায়। মুখ্যমন্ত্রী উত্তরবঙ্গ ত্যাগ করার সঙ্গে সঙ্গেই তাঁর বাহিনী টাকা ও মস্তান নিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়েছে জলপাইগুড়ির বিভিন্ন চা বাগানের শ্রমিকদের উপর বলেই দাবি করেছে সিপিএম। তৃণমূলে যোগদান করাতে আদিবাসী পঞ্চায়েত সদস্যাকে টাকার বান্ডিল দিয়ে প্রলোভন দেখানোর অভিযোগ। টাকার ছবি-সহ কমিশনে লিখিত অভিযোগ দায়ের করে সিপিএম। যদিও এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে তৃণমূল। জলপাইগুড়ি শহর সংলগ্ন করলা ভ্যালি চা বাগানের বাসিন্দা চা শ্রমিক রুবিনা মুণ্ডা। তিনি ওই চা বাগান থেকে সিপিএম দলের অরবিন্দ গ্রাম পঞ্চায়েতের একজন নির্বাচিত সদস্য। তাকে বার বার ভয় দেখানো হচ্ছিলো। তাকে তৃণমূলে যোগ দেবার জন্য চাপ দেওয়া হচ্ছিলো বলে অভিযোগ।

সিপিএম জেলা কমিটির পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়,রবিবার সন্ধ্যা নাগাদ রুবিনার বাড়িতে দলবল নিয়ে চড়াও হয় কৃষ্ণ দাস, রাজা মণ্ডল, প্রধান হেমব্রম-সহ জনা তিরিশেক লোক। রুবিনার বাবা-মাকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে এবং হুমকি দেওয়া হয় বলে অভিযোগ ওঠে। রুবিনার বয়ান অনুযায়ী, কৃষ্ণ দাসরা জোর করে তাঁর বাবা শ্রী মোহন মুণ্ডার ঘরে ঢুকে পড়েন এবং তাঁদের বিছানায় ৫০০ টাকার নোটের বান্ডিল ফেলে দিয়ে চিৎকার করতে থাকেন। রুবিনার দাবি অভিযুক্তরা হুমকি দেন, “আমরা তোদের টাকা দিচ্ছি। আমাদের নির্দেশ মতো কাল তৃণমূলের ঝান্ডা ধরবি। নইলে বিপদ আছে।”

রাতেই গোটা বিষয়টি সিপিএম নেতৃত্বকে জানান রুবিনা। তারপর তাঁদের সঙ্গে নিয়ে জলপাইগুড়ি কোতোয়ালি থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন সিপিএম প্রার্থী। সিপিএম প্রার্থী দেবরাজ বর্মন বলেন, “ধমক চমকে কাজ হয়নি। এখন ভোটের মুখে একজন বামপন্থী আদিবাসী মহিলা জন প্রতিনিধিকে টাকার প্রলোভন দিয়ে কিনে নেওয়ার চেষ্টা করছে তৃণমূল নেতারা। তার বাড়িতে গিয়ে টাকার বান্ডিল দিয়ে এসেছে। আমরা থানায় অভিযোগ দায়ের করলাম। পাশাপাশি নির্বাচন কমিশনের দ্বারস্থ হয়েছি।”



বার্তা সূত্র