Skip to content

হাঙ্গেরিতে দরিদ্র ও শরণার্থীদের সঙ্গে দেখা করলেন পোপ ফ্রান্সিস

হাঙ্গেরিতে দরিদ্র ও শরণার্থীদের সঙ্গে দেখা করলেন পোপ ফ্রান্সিস

পোপ ফ্রান্সিস তার ৩ দিনের সফরের দ্বিতীয় দিনে হাঙ্গেরির রাজধানী বুদাপেস্টের সেইন্ট এলিজাবেথ চার্চে শরণার্থী ও দরিদ্র জনগোষ্ঠীর সঙ্গে দেখা করেছেন। সেইন্ট এলিজাবেথ চার্চ বুদাপেস্টের একটি ঐতিহাসিক স্বেত-মৃত্তিকার গীর্জা।

সেইন্ট এলিজাবেথ ছিলেন হাঙ্গেরির এক রাজকন্যা, যিনি তার উত্তরাধিকার সূত্রে প্রাপ্ত অর্থবিত্তকে ত্যাগ করে দরিদ্রদের জন্য তার জীবন উৎসর্গ করেছিলেন।

পূণ্যার্থীদেরকে তাদের ওপর খ্রিস্টধর্ম পালনের দায়িত্ব; সকলের প্রতি ভালোবাসা ও সহমর্মিতা দেখানোর বিষয়টি মনে করিয়ে দেয়ার জন্য এই শুভক্ষণকে ব্যবহার করেন ফ্রান্সিস।

ইউরোপ এ মুহূর্তে শরণার্থী সংকটের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে।আফ্রিকা ও মধ্যপ্রাচ্য থেকে প্রায় প্রতিদিনই শত শত মানুষ আসছে ইউরোপে।

হাঙ্গেরির প্রধানমন্ত্রী ভিক্টর ওরবান বলেন, অভিবাসন ইউরোপের খ্রিস্ট-সংস্কৃতিকে প্রতিস্থাপনের হুমকিতে ফেলে দিয়েছে।

ইউরোপীয়রা সবসময় এসব শরণার্থীর প্রতি সবসময় সদয় আচরণ করেনি বা তাদের মেনে নেয়নি। তবে, রুশ আগ্রাসনের পর ইউক্রেন থেকে পালিয়ে আসা শরণার্থীদের তারা যথেষ্ট ভালোভাবে গ্রহণ করেছে।

পোপ ফ্রান্সিস শুক্রবার ইউরোপে বাড়তে থাকা জাতীয়তাবাদের বিপদের বিষয়ে সুনির্দিষ্টভাবে সতর্ক করেন।তিনি বুদাপেস্ট সরকারকে বলেন, মহাদেশের অন্য দেশগুলোর সাথে তাদেরও অভিবাসন প্রত্যাশীদের গ্রহণ করাই হবে খ্রিস্টধর্ম পালনের প্রকৃত নিদর্শন।

মার্চে ব্রংকাইটিসে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পর ৩ দিনের এই সফরটি ৮৬ বছর বয়সী পোপের প্রথম বিদেশ সফর।

হাঙ্গেরি পৌঁছানোর পর বিমানবন্দরে ফ্রান্সিসকে উৎফুল্ল দেখাচ্ছিলো। হাঁটুতে সমস্যা থাকা সত্ত্বেও, পোপ ফ্রান্সিস হাসিমুখে একটি লাঠিতে ভর দিয়ে হেঁটে বিমান থেকে নেমে আসেন। গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও জাতীয় পোশাক পরিহিত শিশুরা তাকে স্বাগত জানায়।সাম্প্রতিক সময়ে এ ধরনের সফরে বেশিরভাগক্ষেত্রেই তিনি হুইলচেয়ার ব্যবহার করেছেন।

রোম থেকে আসা উড়োজাহাজে সংবাদদাতারা পোপকে তার স্বাস্থ্য সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলে ঠাট্টার সুরে তিনি উত্তর দেন, “আমি এখনো বেঁচে আছি”; আর, “একগুঁয়ে আগাছা কখনো মরে না।”

এ প্রতিবেদনের কিছু তথ্য রয়টার্স থেকে নেয়া হয়েছে।

বার্তা সূত্র