Skip to content

সরকারের অনুরোধেও গোললনা বরফ, ভোট বয়কটের সিদ্ধান্তে অনড় নাগা উপজাতি সংগঠন

সরকারের অনুরোধেও গোললনা বরফ, ভোট বয়কটের সিদ্ধান্তে অনড় নাগা উপজাতি সংগঠন
নির্বাচনের দিন ঘোষণার ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই কার্যত ভোট বয়কটের ডাক দিল নাগাল্যান্ডের উপজাতিদের সংগঠন। বুধবারই নির্বাচন কমিশন ত্রিপুরা, মেঘালয় এবং নাগাল্যান্ডের ভোটের নির্ঘণ্ট প্রকাশ করে। জানিয়ে দেওয়া হয়, ৬০ আসনের নাগাল্যান্ড বিধানসভার ভোটগ্রহণ করা হবে আগামী ২৭ ফেব্রুয়ারি। আর, বুধবারই নাগাল্যান্ডের অন্যতম বৃহৎ উপজাতিদের সংগঠন Konyak Union (KU) সিদ্ধান্ত নিয়েছে যে তারা বিধানসভা নির্বাচনে (Meghalaya Assembly Polls) অংশ নেওয়া থেকে বিরত থাকবে। এই সঙ্গেই তারা সিদ্ধান্ত নিয়েছে, যদি তাদের জাতির কেউ ভোটে অংশ নেয় বা মনোনয়নপত্র দাখিল করেন, তাহলে ‘কন্যকদের মাটি’ থেকে তাঁকে আজীবনের জন্য নির্বাসিত এবং বহিষ্কার করা হবে।

Nagaland Bandh : নাগাল্যান্ডের রাজনৈতিক সমস্যা মেটানোর দাবি, বনধের রাস্তায় হাঁটছে NPAC
কন্যক ইউনিয়নের মিডিয়া সেক্রেটারি Nokzei P Konyak বলেন, “বুধবারই একটি জরুরী মিটিং ডাকা হয়েছিল। আমাদের সংগঠনের কনফারেন্স হলে এই বৈঠক হয়। সেখানেই ভোটে অংশগ্রহণ করা থেকে দূরে থাকার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। গত বছর ২৬ অগাস্ট ENPO একটি সিদ্ধান্ত নেয়। আমরা এবং ENPO আলাদা রাজ্যের দাবি জানিয়ে আসছি। ওই বৈঠকেই ঠিক করা হয়েছিল যে দাবি পূরণ না হলে আমরা চলতি বছরের বিধানসভা নির্বাচনে অংশ নেব না। আমরা সেই সিদ্ধান্তে অটল আছি।” তাদের বৈঠকে ঠিক করা হয়েছে, যদি কন্যক উপজাতির কেউ মনোনয়নপত্র জমা দেয় তাহলে সেটা তার একক সিদ্ধান্ত। মনোনয়ন করা হলে তাঁকে গ্রাম থেকে বহিষ্কার করা হবে। এই জন্য ওই ব্যক্তি নিজেই দায়ী থাকবেন।

Assembly Election Date : ত্রিপুরা সহ উত্তর-পূর্বের ৩ রাজ্যে দু’দফায় ভোট, গণনা ২ মার্চ
ওই ‘রেজিলিউশন’ কার্যকর করার জন্য যাবতীয় ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে Konyak Nyupu Sheko Khong (KNSK), Konyak Students’ Union (KSU) এবং তাদের গ্রাম কমিটিকে। সেই বৈঠকে ছিলেন কন্যক গ্রামগুলির সভাপতি, কন্যক ইউনিয়নের একজিকিউটিভ সদস্য, তাদের উপদেষ্টামন্ডলীর সদস্যরাও। উল্লেখ্য যে এলাকা নিয়ে আলাদা রাজ্যের দাবি করেছে ENPO সেখানে আছে ৬টি জেলা। ওই ছটি জেলার ২০টি বিধানসভা আছে। ওই এলাকা নিয়ে আলাদা Frontier Nagaland রাজ্যের দাবি করেছে তারা। তাদের সংগঠনে কন্যক ছাড়াও আছে Phom, Chang, Khiamniungan, Yimchungru, Tikhir এবং Sangtam উপজাতি।

Meghalaya Assembly Election 2023 : সীমানা বিবাদের প্রভাব পড়বে না ভোটারদের মধ্যে, মেঘালয় নির্বাচনে আশ্বাস কমিশনের
ENPO-র সাধারণ সম্পাদক Manglang Phom জানান, নাগাল্যান্ডের প্রধান ছটি উপজাতির বাস ওই এলাকায়। রাজ্যের মধ্যে সবচেয়ে পিছিয়ে পড়া চারটি জেলা ওই এলাকায়। তাই পূর্ব নাগাল্যান্ডের ওই অঞ্চলের উন্নতির জন্য আলাদা রাজ্যের দাবি জানিয়ে আসছেন তারা। আরেকদিকে এই সময়েই মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে ‘নাগা রাজনৈতিক সমস্যার ইস্যু’। সেখানের দলগুলি জানিয়ে দিয়েছে এই দাবি পূরণ না হলে ফল ভোগ করতে হবে BJP-কে। সমস্যার সমাধান না হলে ভোটে অংশ নেবেন না তারা বলেও জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। যদিও নাগাল্যান্ডের মুখ্যমন্ত্রী নেইফিউ রিও জানিয়েছেন, তারা সেই সমস্যার সমাধান করার চেষ্টা করছেন। সেখানে কোন রকম সাংবিধানিক সংকট আসতে দেওয়া হবে বলেও জানিয়েছেন নাগাল্যান্ডের মুখ্যমন্ত্রী।

বার্তা সূত্র

সর্বাধিক পঠিত

সর্বশেষ সংবাদ