Skip to content

শীতে কাঁপছে চট্টগ্রাম

শীতের তীব্রতা সারাদেশের মত চট্টগ্রাম নগরীতেও বেড়েছে। সকাল গড়িয়ে বিকাল হয়ে যায়, অথচ সূর্যের দেখা নেই। অন্যদিকে বইছে ঠান্ডা বাতাস- সব মিলিয়ে শীতে জবুথবু নগরের মানুষ। শীতের তীব্রতায় বিপাকে পড়ছেন কর্মজীবীসহ সাধরণ মানুষ। বিশেষ করে খেটেখাওয়া সাধারণ মানুষ পড়েছেন চরম ভোগান্তিতে। গত কয়েক দিন ধরে এমনই ছিল চট্টগ্রামের আবহাওয়ার চিত্র।

এদিকে তাপমাত্রা আরও কমবে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

সপ্তাহজুড়ে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১৪ থেকে ১৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। কখনো কখনো তাপমাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে ১ ডিগ্রি বাড়ে। তবে আবহাওয়া অফিস বলছে, চট্টগ্রামে তাপমাত্রা কম না থাকলেও বাতাসের তীব্রতা থাকায় শীত অনুভূত হচ্ছে বেশি। আগামী দুই তিন দিনে তাপমাত্রা আরও ১ থেকে ২ ডিগ্রি কমতে পারে।

আবহাওয়া অফিস সূত্রে জানা যায়, ডিসেম্বরের শেষ সপ্তাহে তাপমাত্রা ছিল ১৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। সেসময় শীতের তীব্রতা তেমন ছিল না। এরপর থেকেই তাপমাত্রা কমতে শুরু করে। ধীরে ধীরে তাপমাত্রা নেমে আসে ১৪ থেকে ১৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। একইসঙ্গে দিনের স্বাভাবিক সর্বোচ্চ যে তাপমাত্রা থাকার কথা তা থাকছে গড়ে ৪ থেকে ৫ ডিগ্রি কম।

শনিবার চট্টগ্রামের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ২০ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আগামী ২৪ ঘণ্টার আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে। শেষ রাত থেকে সকাল পর্যন্ত নদী অববাহিকা এলাকায় মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা পড়তে পারে। এ সময় দিন ও রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।

এ বিষয়ে চট্টগ্রাম আবহাওয়া অফিসের পূর্বাভাস কর্মকর্তা বিশ্বজিত চৌধুরী বলেন, ‘জানুয়ারি মাসে এখন যে তাপমাত্রা আছে তা স্বাভাবিক তাপমাত্রা। তাপমাত্রা স্বাভাবিক থাকার পরেও চট্টগ্রামে শীত অনুভূত হচ্ছে বেশি। তার প্রধান কারণ হলো বাতাস ও বায়ুর আদ্রতার পরিমাণ বেশি থাকা। হিমালয়ের পূর্বদিক থেকে বাতাস প্রবাহিত হওয়ায় শীত বেশি মনে হয়।’

তিনি আরও বলেন, ‘সেইসঙ্গে মাঝারি মানের কুয়াশা পড়ছে। আগামী কয়েকদিন এমন অবস্থা বিরাজ করবে। তারপর তাপমাত্রা ১ থেকে ২ কুয়াশা কম থাকবে। এরপর আবারও বাড়বে।’

চট্টগ্রামে শৈত্যপ্রবাহের সম্ভাবনা আছে কিনা এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘আপাতত চট্টগ্রামে শৈত্যপ্রবাহের সম্ভাবনা নেই। কারণ সমুদ্র উপকূলীয় এলাকা হওয়ায় তাপমাত্রা সাধারণত ১০ ডিগ্রির নিচে নামে না। আবার নামলেও তা পরপর তিন দিন স্থায়ী থাকতে হবে। টানা তিনদিন একই রকম পরিস্থিতি হলে তখন চট্টগ্রামে শৈত্যপ্রবাহ বলা যাবে। আর চট্টগ্রামে সে সম্ভাবনা কম। যদিও দেশের অন্যান্য অঞ্চলে শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে।

(ঢাকাটাইমস/০৭জানুয়ারি/এলএ)



বার্তা সূত্র