Skip to content

যত পুরস্কার পেল বাংলাদেশ

যত পুরস্কার পেল বাংলাদেশ
‘ওয়ার্ল্ড ইনফরমেশন টেকনোলজি অ্যান্ড সার্ভিসেস অ্যালায়েন্স-উইটসা’র আয়োজনে ঢাকায় অনুষ্ঠিত হয় ‘ওয়ার্ল্ড কংগ্রেস অন ইনফরমেশন টেকনোলজি ২০২১ (ডব্লিউসিআইটি ২০২১)’ শীর্ষক তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি খাতের বিশ্ব সম্মেলন। পাশাপাশি এ আয়োজনে এশিয়া-ওশেনিয়া অঞ্চলের ২৪টি দেশের সংস্থা ‘এশিয়ান-ওশেনিয়ান কম্পিউটিং ইন্ডাস্ট্রি অর্গানাইজেশনও (অ্যাসোসিও)’ তাদের বার্ষিক সম্মেলন ও অ্যাওয়ার্ড নাইট আয়োজন করে। সম্মেলনে উইটসা এবং অ্যাসোসিওর পক্ষ থেকে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে পুরস্কৃত করা হয়। এতে ‘এমিনেন্ট পার্সনস অ্যাওয়ার্ড’ পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

‘ডিজিটাল বাংলাদেশ’ কর্মসূচি প্রণয়ন ও তা বাস্তবায়নে নেতৃত্বদান এবং তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে বাংলাদেশের মানুষের জীবনমান উন্নয়নে অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে বিশ্বের ৮০টি দেশের সদস্যভুক্ত সংগঠন ‘উইটসা’ এ পুরস্কার প্রদান করে। এর আগে প্রথমবারের মতো ২০১০ সালে দক্ষিণ আফ্রিকার সাবেক প্রেসিডেন্ট নেলসন ম্যান্ডেলা এ পুরস্কারে ভূষিত হন। এ ছাড়া এ পুরস্কার পেয়েছেন ইন্টারনেটের অন্যতম জনক ভিন্ট সার্ফ।

ভিন্ন তিনটি ক্যাটাগরিতে বাংলাদেশ আরও তিনটি পুরস্কার অর্জন করেছে। এর মধ্যে ‘সাসটেইনেবল গ্রোথ/সার্কুলার ইকোনমি’ অ্যাওয়ার্ড পেয়েছে পোশাক খাতের ব্যবসায়ীদের সংগঠন বিজিএমইএ, ‘ইনোভেশন ই-হেলথ সলিউশন’ অ্যাওয়ার্ড পেয়েছে জাতীয় স্বাস্থ্য বাতায়ন-১৬২৬৩ এবং ‘ই-এডুকেশন অ্যান্ড লার্নিং’ অ্যাওয়ার্ড পেয়েছে ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি (ডিআইইউ)। মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুর, মিয়ানমার, হংকং, নেপাল, তাইওয়ান, গ্রিস, রাশিয়া প্রভৃতি দেশের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও উদ্যোগ বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে পুরস্কৃত হয়েছে।

এদিকে ‘অ্যাসোসিও লিডারশিপ অ্যাওয়ার্ড-২০২১’ পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর আইসিটি উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়। এশিয়া-ওশেনিয়া অঞ্চলের ২৪টি দেশের সংস্থা ‘এশিয়ান-ওশেনিয়ান কম্পিউটিং ইন্ডাস্ট্রি অর্গানাইজেশন (অ্যাসোসিও)’ তথ্যপ্রযুক্তি খাতে অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ এ পুরস্কার দিয়ে থাকে। বাংলাদেশের তথ্যপ্রযুক্তি খাতে অবদানের জন্য সজীব ওয়াজেদ জয়কে এ পুরস্কার প্রদান করল অ্যাসোসিও। সজীব ওয়াজেদ জয়ের পক্ষে পুরস্কার গ্রহণ করেন আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক। এর আগে ১৯৯৭ সালে এ পুরস্কারে ভূষিত হন মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী ড. মাহাথির মোহাম্মদ, ২০০৪ সালে থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী থাকসিন সিনাওয়াত্রা এবং ২০১০ সালে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে এ পুরস্কার দেওয়া হয়। এ ছাড়া বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে তথ্যপ্রযুক্তিতে সাফল্য অর্জন করায় বিভিন্ন দেশের সরকারি-বেসরকারি সংস্থা ও উদ্যোগকে পুরস্কৃত করে সংস্থাটি। এ বছর বাংলাদেশ থেকে কম্পিউটার সার্ভিসেস লিমিটেড, বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিল (বিসিসি), ডেভেলপমেন্ট অব ন্যাশনাল আইসিটি ইনফ্রা নেটওয়ার্ক ফর বাংলাদেশ গভর্নমেন্ট (ইনফো-সরকার), বইঘর এবং জাতীয় স্বাস্থ্য বাতায়ন বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে অ্যাসোসিও পুরস্কার অর্জন করেছে। এ ছাড়া মালয়েশিয়া, নেপাল, থাইল্যান্ড, জাপান, কোরিয়া, সিঙ্গাপুর, শ্রীলঙ্কা, তাইওয়ান ও ভিয়েতনাম পুরস্কার জয়ের তালিকায় রয়েছে।



বার্তা সূত্র