Skip to content

মিয়ানমার জান্তাকে চাপ দিতে বাড়তি ব্যবস্থার কথা ভাবছে যুক্তরাষ্ট্র

মিয়ানমার জান্তাকে চাপ দিতে বাড়তি ব্যবস্থার কথা ভাবছে যুক্তরাষ্ট্র

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিংকেন বুধবার বলেছেন মিয়ানমারের বিরুদ্ধে বাড়তি ব্যবস্থা নেয়া প্রয়োজন, যেখানে মিয়ানমারের সামরিক অভ্যুত্থানের ১০ মাস পর ‘সংকট অব্যাহতভাবে বেড়েই চলেছে’।

কুয়ালালামপুরে মালয়েশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সাইফুদ্দিন আব্দুল্লাহর সঙ্গে সাক্ষাতের পাশাপাশি সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় ব্লিংকেন বলেন একক দেশ অথবা সম্মিলিত প্রয়াস যেভাবেই হোক না কেন লক্ষ্য হচ্ছে ‘দেশটিকে গণতন্ত্রের পথে ফিরিয়ে নেয়ার জন্যে সামরিক শাসকের ওপর চাপ দেয়া’।

সংঘাত বন্ধ করা, বন্দীদের মুক্তি দেয়া এবং মানবিক সহায়তা কর্মীদের কাজ করতে দেয়াসহ তিনি কয়েকটি সুনির্দিষ্ট লক্ষ্যের কথা উল্লেখ করেন।

দক্ষিণপূর্ব এশিয়ার দেশগুলোর জোট আসিয়ানের উল্লেখ করে ব্লিংকেন বলেন, “আসিয়ানের পাঁচ দফা ঐকমত্যের পরিকল্পনা রয়েছে যা মানতে জান্তা রাজি হয়েছে এবং স্বাক্ষর করেছে। ঐ পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতে হবে”।

সাইফুদ্দিন বলেন আগামী মাসে আসিয়ানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের বৈঠকে মিয়ানমার হবে অন্যতম একটি প্রধান বিষয়বস্তু এবং তার জন্যে একটি বিশদ পরিকল্পনা প্রয়োজন।

তিনি বলেন, “আমরা দেখবো বাস্তবসম্মত উপায়গুলো কি। আমাদের পাঁচ দফা ঐকমত্য হয়েছে, তবে ঠিক কবে নাগাদ এবং কিভাবে তার কিছু কিছু বিষয় বাস্তবায়ন করা দরকার সেটা এখনো আমরা ঠিক করতে পারিনি। ফলে আমার মনে হয়, আসল পদক্ষেপগুলোর রূপরেখা তৈরি করা, তার সময় এবং ফলাফল আন্দাজ করা গুরুত্বপূর্ণ যা আমরা বৈঠকের সময় করার চেষ্টা করবো”।

ব্লিংকেনের মালয়েশিয়া সফরে অন্যান্য কর্মসূচীর মধ্যে রয়েছে প্রধানমন্ত্রী দাতো শ্রী ইসমাইল সাবরি বিন-এর সঙ্গে সাক্ষাৎ, পরিবেশবান্ধব জ্বালানি সংস্কার বিষয়ে মালয়েশিয়ার জ্বালানি খাতের প্রতিনিধিদের সঙ্গে আলোচনা, এবং মালয়েশিয়ান ইয়ং সাউথইস্ট এশিয়া লিডারশীপ ইনিশিয়েটিভ-এর অনুষ্ঠানে অংশ নেয়া।

বৃহস্পতিবার তিনি থাইল্যান্ড যাবেন।

(প্রতিবেদনটিতে কুয়ালালামপুর থেকে ভয়েস অব আমেরিকার ষ্টেট ডিপার্টমেন্ট সংবাদদাতা নাইকে চিং তথ্য দিয়েছেন)

সূত্র: ভয়েজ অব আমেরিকা