ভোলায় সংখ্যালঘু পরিবারের বাড়ি দখলে মরিয়া ভূমিদস্যু সাহাবুদ্দিন

ভোলায় সংখ্যালঘু পরিবারের বাড়ি দখলে মরিয়া ভূমিদস্যু সাহাবুদ্দিন
ভোলায় শহরের পৌর ৪ নং উত্তর চরনোয়াবাদ এলাকায় শত বছরের পৈত্তিক বাড়ি ও সম্পত্তি থেকে সুবল চন্দ্র মালের পরিবারকে উৎখাতের অভিযোগ উঠেছে ভূমি দস্যু সাহাবুদ্দিনের বিরুদ্ধে।

বুধবার (০৯ জুন) দুপুরে ভোলা প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে লিখিত অভিযোগে পরিবারের নিরাপত্তা দাবির পাশাপাশি ওই ভূমি দস্যুর বিচার দাবি করেন সুবল চন্দ্র মাল, ৭০ বছর বয়সী সবিতা রানী ভক্ত, গীতা রানী ভক্ত ( ৬০), শিখা রানী, অবনী রানী মাল।

তারা অভিযোগ করে বলেন, তাদের দাদা বাসু চরণের জন্মও এই বাড়িতে হয়েছে। চার একরের উপর সম্পত্তি ছিল তাদের। পিতা মনি চরণ মাল ও ওয়ারিশরা কিছু সম্পত্তি বিক্রি করেন। ৩০ বছর আগে ওয়ারিশদের কাছ থেকে ৬৩ শতাংশ জমি ক্রয় করেন ভূমিদস্যু মো. সাহাবুদ্দিন। ওই জমি তিনি বুঝে নিয়ে ভোগ দখল করে আসছিলেন। কিন্তু হঠাৎ করে সাহাবুদ্দিন তাদের বসবাসরত ঘরবাড়িসহ আশপাশের জমি তার বলে দাবি করেন এবং তাদের উৎখাত করতে সন্ত্রাসীদের লেলিয়ে দেন। জোরপূর্বক বাড়ির ভিতর পিলার পুতে রাখেন। বাঁধা দিতে গেলে ভয় ভীতি দেখাচ্ছেন। ঘরবাড়ি ছেড়ে ভারতে চলে যাওয়ার জন্য হুমকি দিচ্ছেন।

আরও পড়ুন: অশ্লীল ভিডিও ছড়িয়ে দেয়ায় দুই এসআই’র বিরুদ্ধে মামলা

সুবল চন্দ্র মাল জানান, পৈত্তিক সম্পত্তি হিসেবে তিনি ৬৬ শতাংশ জমির মালিক। এছাড়া তার নিঃসন্তান মাসির অংশ পেয়েছেন ২২ শতাংশ। প্রায় ৫ কোটি টাকা ওই সব জমি গ্রাস করতে মরিয়া হয়ে উঠেছেন সাহাবুদ্দিন বাহিনী। শুধু তাই নয় ওই এলাকার অপরাপর মানুষের জমিও নামে বেনামে দখল করতে শুরু করেছে। এলাকায় শাহাবুদ্দিন ভূমিদস্যু হিসেবে খ্যাত হলেও অভিযোগ করেন সুবল চন্দ্র মালের পরিবার।

এর আগে পৌরসভার বিচারে প্রমাণিত হয় সাহাবুদ্দিন তার ক্রয়কৃত ৬৩ শতাংশ জমি ছাড়া আর কোন জমি পাবেন না। তারপরও তিনি জমি জোরপূর্বক দখল নিতে পিলার স্থাপন করেন। তবে সাহাবুদ্দিন দাবি করেন তিনি তার জমির সীমানা দিতে পিলার স্থাপন করেছেন। করো জমি দখল করেননি।

সাবেক কাউন্সিলর শওকত হোসেন জানান, গত বছর তিনি এক সালিশী বৈঠকে সাহাবুদ্দিন আর কোন জমি পাবেন না বলে সিদ্ধান্ত দিয়েছিলেন।

DMCA.com Protection Status

বার্তা সূত্র

Share on facebook
Share on twitter
Share on whatsapp
Share on email