Skip to content

ভোটে বাম-কংগ্রেসের কাছে হার, দলের পদ থেকে অপসারিত সাগরদিঘির তৃণমূল প্রার্থী

ভোটে বাম-কংগ্রেসের কাছে হার, দলের পদ থেকে অপসারিত সাগরদিঘির তৃণমূল প্রার্থী

রাজীব চৌধুরী, মুর্শিদাবাদ: সাগরদিঘি ভোটে ধরাশায়ী, পদ হারালেন তৃণমূলের পরাজিত প্রার্থী। ব্লকের দায়িত্ব থেকে অপসারিত পরাজিত প্রার্থী দেবাশিস বন্দ্যোপাধ্যায়। মুর্শিদাবাদের সাগরদিঘি ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসের নতুন সভাপতি শামসুল হুদা।

দায়িত্ব পেয়েই সাগরদিঘিতে হার নিয়ে বিস্ফোরক তৃণমূলের নতুন ব্লক সভাপতি। শামসুল হুদা বলেন, ‘পঞ্চায়েত ভোটে লুঠপাট, তার ফলেই সাগরদিঘিতে হার।’ প্রয়াত সুব্রত সাহা থেকে শুভেন্দুর ঘাড়ে দায় চাপিয়ে বিস্ফোরক তৃণমূল ব্লক সভাপতি। তিনি আরও বলেন, ‘পঞ্চায়েতে ভোটে লুঠ, শুভেন্দুর পাপের প্রায়শ্চিত্ত হিসেবেই সাগরদিঘিতে হার। সাংগঠনিক দুর্বলতার সঙ্গে পঞ্চায়েতে দুর্নীতির জন্যেই হার, এটাই সত্যি।’ দায়িত্ব পেয়েই সাগরদিঘিতে হার নিয়ে বিস্ফোরক তৃণমূলের ব্লক সভাপতি 

সাগরদিঘি উপনির্বাচনে পরাজিত দেবাশিস বন্দ্যোপাধ্যায়কে ব্লক সভাপতি পদ থেকে সরিয়ে দিল তৃণমূল। সেই পদে আনা হল সংখ্য়ালঘু মুখ শামসুল হুদাকে। সাগরদিঘিতে তৃণমূলের হারের জন্য দুর্নীতি ও সংগঠনের দুর্বলতাকেই দুষলেন সদ্য দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্লক সভাপতি।

পঞ্চায়েত ভোটের আগে মুর্শিদাবাদের সাগরদিঘির উপনির্বাচনে, জোরাল ধাক্কা খেয়েছে তৃণমূল। একুশের বিধানসভা ভোটে সাগরদিঘিতে ৫০ হাজারের বেশি মার্জিনে (৫০,২০৬) জিতেছিল ঘাসফুল শিবির। কিন্তু, এবারের উপনির্বাচনে সেখানেই তৃণমূলকে ২৩ হাজার ভোটে হারান বাম সমর্থিত কংগ্রেস প্রার্থী। এই সাগরদিঘিতে প্রায় ৬৮ শতাংশই সংখ্যালঘু ভোটার! এরমধ্য়ে তৃণমূল পেয়েছে ৩৫% ভোট। আর জয়ী কংগ্রেস প্রার্থী পেয়েছেন ৪৭ শতাংশেরও বেশি ভোট। পর্যবেক্ষকদের একাংশের মতে, সংখ্যালঘু ভোটাররা মুখ ফিরিয়েছে বলেই মুখ থুবড়ে পড়তে হয়েছে তৃণমূলকে। তাহলে কি ভোটের অঙ্ক মাথায় রেখেই পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে সংগঠনে রদবদল? প্

শ্ন উঠছে রাজনৈতিক মহলে।

সাগরদিঘির কংগ্রেস বিধায়ক বায়রন বিশ্বাস বলেন, ‘সংখ্যালঘু ভোট আর ফেরত পাবে না। অনেকেই তৃণমূল ছেড়ে কংগ্রেসে আসছে।’ যদিও এই কথা মানতে চাননি শামসুল হুদা। তিনি বলেন, ‘এ একদম ভুল কথা। যেখানে হিন্দু এলাকা সেখানেও তো কংগ্রেস লিড পেয়েছে। আমরা তো ৬৫ হাজার ভোট পেয়েছি।’

বড়ঞার ছবি:
মুর্শিদাবাদে নবজোয়ার যাত্রায় পুরভোটে জয়ী নির্দলদের দলে ফেরানো হয়নি বলে একাধিকবার দাবি করেছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। কিন্তু বড়ঞায় তাঁর সভাতেই দেখা গেল উল্টো ছবি। তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদকের ওই সভায় হাজির ছিলেন কান্দি পুরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের নির্দল কাউন্সিলর  গুরুপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়। গত পুরভোটে টিকিট না পেয়ে, নির্দল হিসেবে লড়ে তৃণমূল প্রার্থীকে হারানোর পর, দল তাঁকে বহিষ্কার করে। ভোটের ফল ঘোষণার পর, কান্দির তৃণমূল বিধায়কের হাত ধরে পুরনো দলে ফেরেন গুরুপ্রসাদ। শুধু তাই নয়, সম্প্রতি তৃণমূলের জেলা কমিটির সম্পাদক হয়েছেন নির্দল কাউন্সিলরকে।এই নিয়ে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা। বিজেপি ও কংগ্রেসের কটাক্ষ, অভিষেকের কাজে-কথায় মিল নেই, এটাই তার প্রমাণ। অস্বস্তি ঢাকতে খতিয়ে দেখার আশ্বাস তৃণমূলের।

আরও পড়ুন: পার্ক না কি ট্রেডমিল? দৌড়নোর লাভ কোথায় বেশি? কোনটা বাছবেন?

বার্তা সূত্র