Skip to content

ভারতের কেন্দ্র সরকার সুপ্রিম কোর্টে জানাল অস্থায়ী চাকরিতেও হবে তফশিলি জাতি, আদিবাসী, ওবিসি সংরক্ষণ

ভারতের কেন্দ্র সরকার সুপ্রিম কোর্টে জানাল অস্থায়ী চাকরিতেও হবে তফশিলি জাতি, আদিবাসী, ওবিসি সংরক্ষণ

বর্তমানে ভারতে সরকারি স্থায়ী চাকরিতে তফসিলি জাতি, আদিবাসী এবং অন্যান্য অনগ্রসর শ্রেণি তথা ওবিসি সংরক্ষণ রয়েছে। এবার ঠিকা তথা অস্থায়ী সাময়িক নিয়োগেও সংরক্ষণ দেবে কেন্দ্র সরকার। ৪৫ দিন বা তার বেশি সময়ের জন্য নিয়োগ করা হলে সেক্ষেত্রে বাধ্যতামূলক ভাবে সংরক্ষণ নীতি মেনে চলতে হবে।

অস্থায়ী চাকরিতে সংরক্ষণ দেওয়ার ব্যাপারে এই অবস্থানের কথা সুপ্রিম কোর্টকে জানিয়েছে কেন্দ্র। সেই সঙ্গে সরকার এও জানিয়েছে, সব মন্ত্রক ও দফতরকে অস্থায়ী নিয়োগের ক্ষেত্রে কঠোরভাবে সংরক্ষণবিধি চলতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

কেন্দ্রে নরেন্দ্র মোদী সরকার এই অবস্থান নেওয়ায় সব রাজ্যের উপরেই চাপ তৈরি হল। সংরক্ষণ ব্যবস্থার সঙ্গে ভারতের ঘরোয়া রাজনীতি বহুকাল ধরে জড়িয়ে রয়েছে। তাছাড়া আর্থিক দায়ভার কমাতে ভারতের সব রাজ্যই এখন প্রচুর পরিমাণে অস্থায়ী কর্মী নিয়োগ শুরু করেছে।

এই ব্যাপারে আগেই ভারতের কেন্দ্রের কর্মিবর্গ মন্ত্রক অফিস মেমোরেন্ডাম ইস্যু করেছিল। আগামী বছরের লোকসভা ভোটের আগে বিষয়টি এখন নতুন করে আলোচনায় এসেছে। কেন্দ্রের বক্তব্য, অস্থায়ী চাকরিতে সংরক্ষণ চালু করার ব্যাপারে তফসিলি জাতি ও আদিবাসী সংক্রান্ত সংসদীয় কমিটি সুপারিশ করেছিল। সেটাই মেনে নিয়েছে কেন্দ্র।

অস্থায়ী নিয়োগের ক্ষেত্রে সংরক্ষণ বিধি চালু করার ব্যাপারে তফসিলি জাতি ও আদিবাসী সংগঠন ভারতে দীর্ঘ দিন ধরে দাবি জানাচ্ছিল। এবিষয়ে ওবিসি সংগঠনেরও চাপ ছিল কেন্দ্রের উপর। তাদের বক্তব্য, ৪৫ দিনের কমে নিয়োগের ক্ষেত্রে সংরক্ষণ বিধির খুব একটা অর্থ নেই। কিন্তু অধিকাংশ রাজ্য এখন অস্থায়ী নিয়োগের পথে হাঁটছে। দেখা যাচ্ছে সেই সব নিয়োগের মেয়াদ কোথাও পাঁচ-দশ বছর পর্যন্ত গড়িয়ে যাচ্ছে। অস্থায়ী নিয়োগের ফলে স্থায়ী চাকরির সুযোগ কমছে অনগ্রসর শ্রেণির জন্য। তাই অস্থায়ী চাকরিতে সংরক্ষণ যথাযথ ভাবে চালু না হলে তাদের বঞ্চিত করা হবে।

ভারতের সুপ্রিম কোর্ট জানিয়েছে, সরকার এই নীতি যথাযথ ভাবে মেনে চললে শীর্ষ আদালতের কিছু বলার নেই। কিন্তু কোথাও ত্রুটি হলে এ ব্যাপারে সুপ্রিম কোর্টের দৃষ্টি আকর্ষণ করা যেতে পারে।

বার্তা সূত্র

সর্বাধিক পঠিত

সর্বশেষ সংবাদ