Skip to content

বৃষ্টির পানি সংগ্রহ ও নদীর পানি সংরক্ষণের আহ্বান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার

বৃষ্টির পানি সংগ্রহ ও নদীর পানি সংরক্ষণের আহ্বান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার

ভূগর্ভস্থ পানির ওপর নির্ভরতা কমাতে বৃষ্টির পানি সংগ্রহ ও নদীর পানি সংরক্ষণের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

বুধবার (১৬ মার্চ) চট্টগ্রাম ওয়াসার নবনির্মিত শেখ হাসিনা ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট-২ উদ্বোধনকালে তিনি বলেন, “আমাদের যেভাবেই হোক বৃষ্টির পানি সংগ্রহ করতে হবে এবং বর্ষায় নদীর পানি সংরক্ষণ করতে হবে, যাতে আমরা পানির সঠিক ব্যবহার করতে পারি।”

প্রধানমন্ত্রী তার সরকারি বাসভবন গণভবন থেকে চট্টগ্রামের একটি হোটেলে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে ভার্চ্যুয়ালি যুক্ত হন।

চট্টগ্রাম ওয়াসার কর্ণফুলী পানি সরবরাহ প্রকল্পের (পর্যায়-২) আওতায় চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়ায় নির্মিত পানি শোধনাগার চালুর ফলে চট্টগ্রাম ওয়াসার সার্বিক পানি সরবরাহ ক্ষমতা এখন ১৪ দশমিক ৩০ কোটি লিটার বেড়ে দৈনিক ৫০ কোটি লিটারে পৌঁছেছে।

শেখ হাসিনা বলেন, “বৃষ্টির পানি সংগ্রহ ও বর্ষাকালে নদীর পানি সংরক্ষণের জন্য যেকোনো স্থাপনা নির্মাণের ক্ষেত্রে প্রতিটি স্থানে পানির সংরক্ষণাগার রাখতে হবে। তা আবাসন বা শিল্প যাই হোক না কেন। কারণ ভূগর্ভস্থ পানির ওপর আমাদের নির্ভরতা কমাতে হবে।”

তিনি আরও বলেন, “তার সরকার ভূপৃষ্ঠের পানি ব্যবহার করে পানি শোধনাগার নির্মাণ করেছে। যেহেতু পানি শোধনাগারগুলো এখন ভূপৃষ্ঠের উৎস থেকে পানি সংগ্রহ করছে, তাই ভূগর্ভস্থ পানির ওপর আমাদের নির্ভরতা কমছে।”

অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন স্থানীয় সরকার ও সমবায়মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম, চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র মো. রেজাউল করিম চৌধুরী। এ ছাড়া চট্টগ্রাম প্রান্তে উপস্থিত ছিলেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ।

বিমানবাহিনীর সদস্যদের দক্ষতা বৃদ্ধির আহ্বান

বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর সদস্যদের জাতীয় লক্ষ্য অর্জনে পেশাগত দক্ষতা, শৃঙ্খলা ও দেশপ্রেম বজায় রাখার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

তিনি বলেন, “কঠোর পরিশ্রম, শৃঙ্খলা ও দেশপ্রেম ছাড়া লক্ষ্য অর্জন করা অসম্ভব। আশা করি আপনারা এগুলো সম্পর্কে সচেতন হবেন এবং সেই অনুযায়ী নিজেকে গড়ে তুলবেন।”

বুধবার বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর (বিএএফ) বহরে “গ্রোব জি-১২০ টিপি” প্রশিক্ষণ এয়ারক্রাফ্ট অন্তর্ভুক্তি অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির ভাষণে তিনি এসব কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রী তার সরকারি বাসভবন গণভবন থেকে ভার্চ্যুয়ালি যশোরে বিএএফ ঘাঁটি বীরশ্রেষ্ঠ মতিউর রহমানে অনুষ্ঠিত অনুষ্ঠানে যোগ দেন।

শেখ হাসিনা বলেন, “বাংলাদেশ যুদ্ধে নয় শান্তিতে বিশ্বাস করে, কারণ দেশের পররাষ্ট্রনীতিতে স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে সকলের সঙ্গে বন্ধুত্ব কারও সঙ্গে বৈরিতা নয়।”

তিনি বিমানবাহিনীর সদস্যদের মধ্যে প্রযুক্তি, যুদ্ধ ও অন্য সমস্ত প্রাসঙ্গিক বিষয় সম্পর্কে যথাযথ প্রশিক্ষণ এবং জ্ঞানের প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দিয়ে বলেন, “যদি আমাদের ওপর কখনো হামলা হয় সে চিন্তা মাথায় রেখে অবশ্যই আমাদের দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার দক্ষতা অর্জন করতে হবে।”

শেখ হাসিনা বলেন, “বিমানবাহিনীর ভবিষ্যৎ প্রজন্মের উন্নত ও যুগোপযোগী ফ্লাইট প্রশিক্ষণ নিশ্চিত করার জন্য সরকার ইতিমধ্যেই ডিজিটাল ককপিটের সঙ্গে অত্যাধুনিক ফ্লাই-বাই-ওয়্যার ও ওয়াইএকে- ১৩০ কমব্যাট ট্রেনার, কে-৮ ডব্লিউ জেট ট্রেনার, এল-৪১০ পরিবহন প্রশিক্ষক, এডাব্লিউ ১১৯ কেএক্স,হেলিকপ্টার প্রশিক্ষক এবং বাহিনীকে বিভিন্ন ধরনের সিমুলেটর দিয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় আজ ১২টি গ্রোব জি-১২০ প্রশিক্ষণ এয়ারক্রাফ্ট বিমানবাহিনীর বহরে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।”

দ্বিতীয় পর্যায়ে আরও কয়েকটি গ্রোব জি-১২০ প্রশিক্ষণ বিমানবাহিনীতে যুক্ত করা হবে বলেও জানান তিনি।

সূত্র: ভয়েজ অব আমেরিকা