Skip to content

বাসায় ফিরলেন খালেদা জিয়া

বাসায় ফিরলেন খালেদা জিয়া

স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট

ঢাকা: টানা চার দিন হাসপাতালে চিকিৎসা শেষে বাসায় ফিরেছেন বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া। শনিবার (১৭ জুন) সন্ধ্যায় এভারকেয়ার হাসপাতাল থেকে থেকে গুলশানের ভাড়া বাসা ফিরোজায় ফেরেন তিনি।

গত সোমবার (১২ জুন) রাত দেড়টার দিকে হাসপাতালে নেওয়া হয় বেগম খালেদা জিয়াকে। ওই রাতেই প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে চিকিৎসকের পরামর্শে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয় এবং টানা চারদিন তাকে কেবিনে রেখে চিকিৎসা দেওয়া হয়।

খালেদা জিয়া এভারকেয়ার হাসপাতালের হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক সাহাবুদ্দিন তালুকদারের তত্ত্বাবধানে ছিলেন, যিনি খালেদা জিয়ার চিকিৎসার জন্য গঠিত মেডিকেল বোর্ডের প্রধান।

টানা চরদিন চিকিৎসা শেষে তার শারীরিক অবস্থার উন্নতি হলে শনিবার (১৭ জুন) চিকিৎসকেরা তাকে বাসায় ফেরার অনুমিত দেন।

সর্বশেষ গত ২৯ এপ্রিল নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন ৭৮ বছর বয়সী খালেদা জিয়া। পাঁচ দিন পর তিনি মেডিকেল বোর্ডের সিদ্ধান্তে বাসায় ফেরেন।

এভারকেয়ার হাসপাতালের হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক সাহাবুদ্দিন তালুকদারের নেতৃত্বে একটি মেডিকেল বোর্ডের তত্ত্বাবধানে তার চিকিৎসা চলছে।

সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া দীর্ঘদিন ধরে আর্থ্রাইটিস, ডায়াবেটিস, কিডনি জটিলতা ও লিভারের রোগে ভুগছেন। ২০২১ সালের এপ্রিলে কোভিডে আক্রান্ত হওয়ার পর থেকে কয়েকবার নানা অসুস্থতা নিয়ে তাকে হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে হয়েছিল।

গত বছর হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পর তার পরিপাকতন্ত্রে রক্তক্ষরণ ও লিভার সিরোসিসে আক্রান্ত হওয়ার কথা জানিয়েছিলেন মেডিকেল বোর্ডের চিকিতসকরা।

২০১৮ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতির মামলায় পাঁচ বছরের সাজা নিয়ে কারাগারে গিয়েছিলেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া। ওই বছরের অক্টোবরে হাই কোর্টে আপিল শুনানি শেষে সাজা বেড়ে হয় ১০ বছর।

এরপর জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায়ও আরও সাত বছরের সাজা হয় বিএনপি নেত্রীর। তিনি তখনও পুরান ঢাকার নাজিমউদ্দিন সড়কের কারাগারে ছিলেন।

দেশে করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের পর পরিবারের আবেদনে ২০২০ সালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তার নির্বাহী ক্ষমতা প্রয়োগ করে খালেদার দণ্ড স্থগিত করেন ছয় মাসের জন্য। ওই বছরের ২৫ মার্চ খালেদা জিয়া মুক্তি পাওয়ার পর থেকে গুলশানে তার বাড়িতে রয়েছেন। প্রতি ছয় মাস পরপর তার মুক্তির মেয়াদ বাড়ানো হচ্ছে পরিবারের আবেদনে।

সারাবাংলা/এজেড/একে



বার্তা সূত্র