বনানীর রেইনট্রিতে দুই ছাত্রীর ওপর পাশবিক নির্যাতন মামলায় চিকিৎসকের সাক্ষ্য

বনানীর ‘দ্য রেইন ট্রি’ হোটেলে বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া দুই ছাত্রীকে পাশবিক নির্যাতনের অভিযোগে করা মামলায় সাক্ষ্য দিয়েছেন ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের ফরেনসিক বিভাগের প্রধান চিকিৎসক সোহেল মাহমুদ।
আজ বুধবার (১৮ নভেম্বর) ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৭এর বিচারক বেগম কামরুন্নাহারের আদালতে তিনি সাক্ষ্য দেন। এরপর আসামী পক্ষের আইনজীবীরা তাকে জেরা করেন।
আদালত পরবর্তী সাক্ষ্য গ্রহণের জন্য আগামী ৫ জানুয়ারি দিন ধার্য করেছেন।
এ নিয়ে মামলায় ৪৭ সাক্ষীর মধ্যে ১৯ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হলো।
২০১৭ সালের ২৮মার্চ বনানীর ‘দ্য রেইন ট্রি’ হোটেলে জন্মদিনের পার্টির কথা বলে ডেকে নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া দুই ছাত্রীকে পাশবিক নির্যাতন করা হয়।
ওই ঘটনার প্রায় ৪০দিন পর ৬ মে সন্ধ্যায় আপন জুয়েলার্সের মালিক দিলদার আহমেদের ছেলে সাফাত আহমেদসহ পাঁচজনকে আসামি করে বনানী থানায় পাশবিক নির্যাতনের অভিযোগে মামলা করেন এক ভুক্তভোগী।
একই বছরের ৮ জুন ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম দোলোয়ার হোসেনের আদালতে সাফাতসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দাখিল করেন তদন্ত কর্মকর্তা পুলিশের নারী সহায়তা ও তদন্ত বিভাগের পরিদর্শক ইসমত আরা এমি। অভিযোগপত্রে ৪৭ জনকে সাক্ষী করা হয়।
১৩ জুলাই ঢাকার দুই নম্বর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক শফিউল আজম আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন।
আসামি সাফাত ও নাঈমের বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন আইনের ৯ (১) ধারা এবং অন্য আসামিদের বিরুদ্ধে ৯ (১) এর ৩০ ধারায় অভিযোগ গঠন করা হয়।
অভিযুক্ত পাঁচজন হচ্ছে- আপন জুয়েলার্সের মালিক দিলদার আহমেদের ছেলে সাফাত আহমেদ, তার বন্ধু সাদমান সাকিফ, নাঈম আশরাফ, সাফাতের গাড়িচালক বিল্লাল হোসেন ও দেহরক্ষী রহমত আলী।

– বিএসএস

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।