Skip to content

ফেব্রুয়ারির ৫ তারিখেই সন্ত রামানুজের মূর্তি উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী, হিন্দু মহাকুম্ভে জানলেন চিন্ন জিয়ার স্বামী

ছবি: ফাইল চিত্র

চিত্রকূট: আগামী বছর ফেব্রুয়ারিতেই সন্ত রামানুচার্যের ১০০০ তম জন্মবর্ষে, শ্রীমদ ভগবান রামানুজের মূর্তি উদ্বোধন হতে চলেছে। ফেব্রুয়ারির ৫ তারিখ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর হাতেই এই মূর্তি উদ্বোধন হবে। উত্তর প্রদেশের চিত্রকূটে হিন্দু মহাকুম্ভের সম্মলনে এমনটাই জানালেন চিন্ন জিয়ার স্বামী। চলতি বছরই সেপ্টেম্বর মাসেই ব্যক্তিগতভাবে গিয়ে প্রধানমন্ত্রীকে আমন্ত্রণ জানিয়ে আসেন চিন্ন জিয়ার স্বামী। প্রধানমন্ত্রীর পাশাপাশি রাষ্ট্রপতি রামনাখ কোবিন্দ, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, আরএসএস প্রধান মোহন ভগবতও মূর্তি উন্মোচনের অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন বলেই জানিয়েছেন চিন্ন জিয়ার স্বামী।

কেন হিন্দু মহাকুম্ভের আয়োজন?

হিন্দু একতা মহাকুম্ভের অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন আরএসএস প্রধান মোহন ভগবত। হিন্দু ঐক্য গড়ে তুলতেই এই সম্মলনের আয়োজন করা হয়েছিল বলেই জানিয়েছিলেন উদ্যোক্তারা। সকল হিন্দু ধর্মের সকল সন্তদের এক ছাতার তলায় নিয়ে আসাই হিন্দু মহাকুম্ভের অন্যতম প্রধান উদ্দেশ্য। এদিনের অনুষ্ঠানে চলতি বছরে নিহত সকল হিন্দুদের উৎসর্গ করে প্রস্তাব পাশ হয়েছে। গত কয়েকদিন ধরে চলছে এই মহা কুম্ভের প্রস্তুতি। এতে অযোধ্যা, কাশী ও মথুরার মাহাত্ম্যসহ ১২টি বিষয়ের মধ্যে সবচেয়ে বড় বিষয় হিসেবে হিন্দু ঐক্যকে রাখা হয়েছে। বিখ্যাত মঠ, মন্দির, আখড়ার ধর্মীয় নেতা, সাধু, মহাত্মারাও এই হিন্দু মহাকুম্ভে অংশ নিয়েছিলেন।

সন্ত রামানুজের মূর্তি উদ্বোধন

হায়দরাবাদের মুচিন্তালে এখন ব্যস্ততা তুঙ্গে। ফেব্রুয়ারি মাসেই সন্ত রামানুজের সহস্রাব্দ উত্‍সব। জানা গিয়েছিল, ফেব্রুয়ারির ২ থেকে ১৪ তারিখ অবধি আয়োজিত শ্রী রামানুচার্য স্বামীর হাজারতম জন্মবর্ষের উদযাপন নজর কেড়ে নেবে সকলের। আগামী ফেব্রুয়ারিতে শ্রী ত্রিদান্ডি চিন্না জিয়ার স্বামীর পরিকল্পনায় উন্মোচিত হবে শ্রীমদ রামানুজের ২১৬ ফুট মূর্তি। পদ্মের উপর আসীন রামানুজের সুবিশাল মূর্তির পাশে ১০৮ মন্দির নজর কাড়বে। প্রতিষ্ঠানের আশা, এই আশ্রম দিব্য সাকেতম দ্রুত হয়ে উঠবে বিশ্বের জনপ্রিয় তীর্থস্থান। অনুষ্ঠানের দিন হাজারের অধিক কুণ্ডে লোককল্যাণের জন্য লক্ষ্মী নারায়ণ যজ্ঞের আয়োজন করা হবে। মোট ১ হাজার ৩৫ টি হোমকুণ্ড তৈরি করা হবে এবং প্রায় ২ লক্ষ কেজি গরুর ঘি ব্যবহার করা হবে যজ্ঞের কাজে। মুচিন্তালের এই আশ্রম দিব্য সাকেতাম শীঘ্রই বিশ্ববিখ্যাত আধ্যাত্মিক স্থান হিসেবে জনপ্রিয় হবে হবে মনে করা হচ্ছে।

কে ছিলেন সন্ত রামানুজ?

সন্ত রামানুজ তাঁর ১২০ বছরের জীবনকালের বেশিরভাগ সময়টাই বিশিষ্টদ্বৈতের হিন্দু দর্শন প্রচারের জন্য ব্যয় করেছিলেন। রামানুজাচার্যই জাতি, বর্ণ এবং ধর্মের নামে বৈষম্যের বিরুদ্ধে লড়াই করেন এবং প্রস্তাব করেন যে সবার মধ্যেই সর্বশক্তিমান ঈশ্বর বিরাজমান। এ জন্যই এই বিশালাকার নামকরণ করা হয়েছে ‘স্ট্যাচু অফ ইকুয়্যালিটি।’

আরও পড়ুন President Ramnath Kovind’s Bangladesh Visit: বাংলাদেশের স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীতে বিশেষ অতিথি রাষ্ট্রপতি কোবিন্দ, সাক্ষাৎ হাসিনার সঙ্গে

বার্তা সূত্র