Skip to content

পুর অধিবেশনে অনন্যাকে আর না বলতে দেওয়ার নির্দেশ ক্ষুব্ধ মমতার

পুর অধিবেশনে অনন্যাকে আর না বলতে দেওয়ার নির্দেশ ক্ষুব্ধ মমতার

কলকাতা, ২২ ফেব্রুয়ারি, (হি.স.): পুরসভার বাজেট বিতর্কে অংশ নিয়ে তৃণমূল কাউন্সিলর অনন্যা বন্দ্যোপাধ্যায় ‘যৌনগন্ধী’ মন্তব্য করায় ‘ক্ষুব্ধ’ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কলকাতা পুরসভার সূত্রের খবর, বিষয়টি মুখ্যমন্ত্রীর নজরে আসার পর এ বিষয়ে তিনি কঠোর পদক্ষেপ করতে নির্দেশ দিয়েছেন ফিরহাদ হাকিমকে। ১০৯ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর অনন্যাকে যাতে আর পুর অধিবেশনে বক্তৃতা করার সুযোগ না দেওয়া হয়, সেই বিষয়টিও নিশ্চিত করতে বলেছেন মুখ্যমন্ত্রী। বৃহস্পতিবার তৃণমূল সূত্রে এ খবর জানা গিয়েছে।

সোমবার কলকাতা পুরসভার বাজেট বিতর্কে অংশ নিয়ে অনন্যা একটি বিতর্কিত মন্তব্য করেন। সন্ধ্যায় দলীয় কাউন্সিলরের ওই মন্তব্যের কথা জানতে পারেন তৃণমূলের সর্বোচ্চ নেত্রী মমতা। সঙ্গে সঙ্গেই তিনি ফোন করেন মেয়রকে। সূত্রের খবর, ভৎর্সনা করে ক্ষুব্ধ মুখ্যমন্ত্রী অনন্যার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন মেয়রকে।

প্রসঙ্গত, গত সোমবার বাজেট বিতর্কে অংশ নিয়ে পশ্চিমি সংস্কৃতিতে ‘ফাদার’ এবং ‘নান’দের (সন্ন্যাসিনী) সম্পর্ক নিয়ে নানা গল্পের কথা উল্লেখ করেন অনন্যা। এর পরে একটি গল্পও শোনান। সেই ‘যৌনগন্ধী’ গল্পে বাইবেলের ১১২ নম্বর অধ্যায়ে ‘গভীরে যাও, আরও গভীরে যাও’ বাণী রয়েছে বলে জানিয়েছিলেন ওই কাউন্সিলর। সেই সময়েই প্রতিবাদ ওঠে বিজেপির তরফে। ৫০ নম্বর ওয়ার্ডের বিজেপি কাউন্সিলর সজল ঘোষ এবং ২৩ নম্বর ওয়ার্ডের বিজেপি কাউন্সিলর বিজয় ওঝা অনন্যার মন্তব্যের প্রতিবাদ করেন। ঘটনাচক্রে, ৬৩ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কাউন্সিলর সুস্মিতা ভট্টাচার্যর সঙ্গেও অনন্যার বাদানুবাদ হয়। সুস্মিতা বলেন, ‘‘ফাদার-নানের সম্পর্কে ‘সেক্স’ শব্দটি উচ্চারণ করে অত্যন্ত ঘৃণ্য কাজ করেছেন অনন্যা বন্দ্যোপাধ্যায়।’’ প্রসঙ্গত, সুস্মিতা এবং ১৪৩ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কাউন্সিলর ক্রিস্টিনা বিশ্বাস খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বী। দলের দুই কাউন্সিলর যখন তাঁর বিরুদ্ধে এমন প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন, তখন সামগ্রিক ভাবে খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বীদের ভাবাবেগে আঘাত লেগেছে বলেই মনে করছেন দলের নেতৃত্ব। মনে করছেন স্বয়ং মুখ্যমন্ত্রীও। তাই অনন্যার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা

বার্তা সূত্র