Skip to content

নয়া পল্টনে কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে বিক্ষোভ করবে বিএনপি

নয়া পল্টনে কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে বিক্ষোভ করবে বিএনপি

সোমবার কার্যালয়ে আসেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, আবদুল মঈন খান ও ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, ভাইস চেয়ারম্যান মোহাম্মদ শাহজাহান, মহানগর উত্তর বিএনপির আহবায়ক আমান উল্লাহ আমান।

তারা প্রতিটি কক্ষ ঘুরে ঘুরে দেখেন। দলের ভারপ্রাপ্ত দফতর সম্পাদক সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স নেতাদের ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে সব কিছু দেখান।

বিএনপির ঢাকার বিভাগীয় সমাবেশস্থল নিয়ে দলটির সঙ্গে টানাপড়েনের মধ্যে গত বুধবার নয়া পল্টনে চড়াও হয় পুলিশ। কার্যালয়ের সামনে জড়ো হওয়া বিএনপিকর্মীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষে একজন নিহত এবং বহু আহত হয়।

এরপর বিএনপি কার্যালয়ে ঢুকে আবদুস সালাম, আমানউল্লাহ আমান, রুহুল কবির রিজভীসহ কয়েকজন কেন্দ্রীয় নেতা এবং কয়েকশ নেতাকর্মীকে ধরে নিয়ে যায় পুলিশ।

সেদিন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর কার্যালয়ে ঢুকতে গিয়েও পুলিশের বাধায় পারেননি। পরদিনও তাকে ঢুকতে দেওয়া হয়নি। পরে তাকেও বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।

অভিযানের সময় পুলিশের পক্ষ থেকে বলা হয়েছিল, বিএনপি কার্যালয় থেকে তাদের উপর হাতবোমা ছোড়া হয়েছিল, এখানে নাশকতার পরিকল্পনা হয়েছিল। সেজন্য এটি এখন ‘ক্রাইম সিন’, তাই কাউকে ঢুকতে দেওয়া হবে না।

নয়া পল্টন ছেড়ে বিএনপি শনিবার গোলাপবাগ মাঠে জনসভা করার সময়ও বিএনপি অফিসের সামনে পুলিশ ব্যারিকেড দিয়ে রেখেছিল। তখন পুলিশ কর্মকর্তারা জানিয়েছিলেন, বিএনপির সমাবেশ শান্তিপূর্ণ হলে এবং নেতা-কর্মীরা ঘরে ফিরে গেলে নয়া পল্টনের অবরোধ তুলে নেওয়া হবে।

এদিন ঘুরে দেখার সময় স্থায়ী কমিটির সদস্যরা দোতলায় চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া ও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের কার্যালয়, তৃতীয় তলায় মহাসচিবের চেম্বার, কেন্দ্রীয় দফতর, হিসাব বিভাগসহ অন্যান্য তলায় বিভিন্ন অঙ্গ সংগঠনের অফিসের দরজা, আসবাপত্র, সিসিটিভি ক্যামেরা ও জিয়াউর রহমানের ম্যুরাল ভাঙা অবস্থায় দেখতে পান। তারা গুরুত্বপূর্ণ নথি-কাগজপত্রসহ সবকিছু লণ্ডভণ্ড হয়ে হয়ে পড়ে থাকতে দেখেন।

পরে সাংবাদিকদের কাছে খন্দকার মোশাররফ অভিযোগ করেন, কার্যালয়ের সবকিছু ‘তচনচ’ করা হয়েছে। কম্পিউটারের মনিটর-সিপিও ও স্ক্যানার নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, ‘‘এখানে এভাবে একটা সরকার কোন ভিত্তিতে এত পাগল হয়ে এত মাথা খারাপ হয়ে এভাবে ঘটনা ঘটাতে পারে- আমাদের কোনো রাজনৈতিক হিসাবে মিলে না। তবে তাদের একটা একথা আছে- খেলা। আর এটাকে যদি খেলা বলা হয় আসলে আমরা বিএনপি এই খেলাতে বিশ্বাস করি না। আমরা রাজনীতি করি, আমরা গণতন্ত্রের জন্য রাজনীতি করি।”

বার্তা সূত্র