Skip to content

নৃগোষ্ঠীর অর্ধেকেরই প্রতিনিধিত্ব নেই | কালের কণ্ঠ

নৃগোষ্ঠীর অর্ধেকেরই প্রতিনিধিত্ব নেই | কালের কণ্ঠ

নেপালের সংসদীয় নির্বাচন ব্যবস্থায় এখনো প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত হয়নি দেশটির অর্ধেকেরও বেশি নৃতাত্ত্বিক গোষ্ঠীর। সম্প্রতি একটি প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে। হিমালয়ের কোলের দেশটিতে ১২৬টি নৃগোষ্ঠী রয়েছে।

নেপালের সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান ন্যাশনাল ইনক্লুশন কমিশনের তৈরি করা এক বিশদ প্রতিবেদনে নৃতাত্ত্বিক গোষ্ঠীগুলোর প্রতিনিধিত্বের সংকটের এ চিত্র উঠে এসেছে।

বিজ্ঞাপন

প্রতিবেদনটি এখনো প্রকাশের অপেক্ষায় রয়েছে। ২০০৬ সালে নেপালের দীর্ঘদিনের রাজতন্ত্র বিলোপ করার পর থেকে সংসদীয় নির্বাচনের ইতিহাসের আলোকে প্রতিবেদনটি তৈরি করা হয়েছে।

২০০৬ সালের পর নেপালে সংবিধান প্রণয়নের জন্য দুটি গণপরিষদ নির্বাচন হয়। ২০১৫ সালে নতুন সংবিধান গৃহীত হওয়ার পর জাতীয় নির্বাচন হয়। এসব নির্বাচনে নৃতাত্ত্বিক গোষ্ঠীগুলোর উপস্থিতি ক্রমেই হ্রাস পেয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, নেপালের ৬২টি নৃতাত্ত্বিক গোষ্ঠীর কোনো সদস্য এখনো সংসদে প্রতিনিধিত্বের সুযোগ পাননি। এ ছাড়া আমাত, বানতাওয়া, জিরেলসহ ১৬টি নৃতাত্ত্বিক গোষ্ঠীর প্রতিনিধিত্ব ছিল মাত্র একবার।

নেপাল কম জনসংখ্যার অপেক্ষাকৃত ছোট আয়তনের দেশ হলেও সেখানে অনেক নৃতাত্ত্বিক জনগোষ্ঠীর বাস। নেপালের ন্যাশনাল ফাউন্ডেশন ফর দ্য ডেভেলপমেন্ট অব দ্য ইন্ডিজেনাস ন্যাশনালিটিজের (এনএফডিআইএন) চেয়ারপারসন এবং কমিউনিস্ট পার্টি অব নেপালের (সিপিএন-ইউএমএল) নেতা গোকুল ঘার্তি জানান, দুবারের গণপরিষদে ৬০১ জন প্রতিনিধির মধ্যে ২৬টি আসন প্রান্তিক অবস্থানে থাকা জনগোষ্ঠীগুলোর জন্য বরাদ্দ ছিল। সংবিধান গ্রহণের পর এসব প্রান্তিক মানুষের উপস্থিতি তিনজনে নেমে এসেছে। দেশটির রাজনীতিতে নৃতাত্ত্বিক গোষ্ঠীগুলোর প্রতিনিধিত্ব হ্রাসের পেছনে বর্তমান সাংবিধানিক কাঠামোকে দায়ী করছেন গোকুল ঘার্তি। তিনি মনে করেন, বর্তমানে হাউস অব রিপ্রেজেন্টেটিভসের ৪০ শতাংশ আসন আনুপাতিক প্রতিনিধিত্বের জন্য বরাদ্দ করার বিষয়টি প্রান্তিক মানুষের প্রতিনিধিত্বের ওপর প্রভাব ফেলছে।

সূত্র : কাঠমাণ্ডু পোস্ট



বার্তা সূত্র