Skip to content

নির্বাচন এলেই সাম্প্রদায়িক অপশক্তি ফণা তোলার অপচেষ্টা চালায়: তথ্যমন্ত্রী



ঢাকা বিজনেস ডেস্ক ||

১৪ অক্টোবর, ২০২৩, ০২:১০ পিএম



আপামর বাঙালি সাম্প্রদায়িক নয় বলে মন্তব্য করেছেন সম্প্রচার ও তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ। তিনি বলেন, ‘সবাই মিলে মিশে একাকার। সেই কারণে এদেশে সাম্প্রদায়িক অপশক্তি মাঝে মধ্যে মাথাচাড়া দেওয়ার চেষ্টা করলেও মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে পারেনি। আমাদের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় সেই অপশক্তি অবদমিত হয়েছে।’ শনিবার (১৪ অক্টোবর) সকালে রাজধানীর বনানী মাঠে পূজামণ্ডপে শুভ মহালয়া উদ্বোধনকালে তিনি এসব  কথা বলেন। 

হাছান মাহমুদ বলেন, ‘আমাদের প্রথম পরিচয় আমরা বাঙালি, তারপর ধর্মের পরিচয়। কিন্তু এই চেতনার বেদীমূলে আঘাতের ফলে পাকিস্তানের সাম্প্রদায়িক রাষ্ট্র ব্যবস্থা থেকে বেরিয়ে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ডাকে হিন্দু, মুসলিম, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টান সব সম্প্রদায়ের মানুষের মিলিত রক্তস্রোতে ৩০ লাখ শহীদ ও ও ২ লাখ মা-বোনের সম্ভ্রম হানির বিনিময়ে আমরা স্বাধীনতা অর্জন করেছি, লাল সূর্য খচিত সবুজ পতাকা ছিনিয়ে এনেছি।’ তিনি বলেন, ‘কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্য যে, ১৯৭৫ সালের পর সেই সাম্প্রদায়িক ভাবধারা ফিরিয়ে আনা হয়েছিল।’

তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘আজ ও সেই সাম্প্রদায়িক অপশক্তি আমাদের দেশে আছে।  তারা সময়ে সময়ে তাদের হীনস্বার্থ চরিতার্থ করার জন্য সাম্প্রদায়িক উসকানি দেয়।’

নির্বাচনকে সামনে রেখে তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘‘আমরা গত ১৫ বছরের পথচলায় চেষ্টা করেছি, ১৯৭৫ সালের পর বাংলাদেশের যে মূল চেতনা হারিয়ে গিয়েছিল তা ফিরিয়ে আনার। একটি রাষ্ট্রের কখনো ‘শত্রু সম্পত্তি আইন’ ধরনের মতো আইন থাকা বাঞ্ছনীয় নয়। সেটি বিলুপ্ত করে ভিন্ন আইন করা হয়েছে। এভাবে অনেক কাজ করা হয়েছে।’’

দেশে সম্প্রীতির উদাহরণ দিয়ে ড. হাছান বলেন, ‘আজ বাংলাদেশে সবকিছু ছাপিয়ে বড় উৎসব, বাঙালির উৎসব হয়ে দাঁড়িয়েছে পয়লা বৈশাখ। ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে আমাদের দেশে যেভাবে বাংলা প্রতিবেশি কোনও দেশেও নেই।’  তিনি বলেন, ‘শেখ হাসিনা বারবার বলেন, ধর্ম যার যার উৎসব সবার, ধর্ম যার যার রাষ্ট্রও সবার। আর সেটির প্রতিফলন আমরা দেখি দুর্গাপূজা, ঈদ, প্রবারণা পূর্ণিমাসহ সব ধর্মীয় পার্বণে, যেখানে সব ধর্মের মানুষ উৎসব মুখর পরিবেশে শামিল হয়।’ 

ঢাকা বিজনেস/এনই



বার্তা সূত্র