Skip to content

নালন্দার মত বৃহৎ বিদ্যা চর্চার কেন্দ্র কি বাংলাতেও ছিল, ঘরের কাছেই খোঁজ মিলল একাধিক স্থাপত্যের

বিশ্বদীপ ব্যানার্জি: প্রাচীন ভারতে বিদ্যা চর্চার অন্যতম প্রধান কেন্দ্র ছিল নালন্দা বিশ্ববিদ্যালয়। যা বর্তমানে বিহারে অবস্থিত। কিন্তু এমন কোনও বড় বিদ্যা চর্চার কেন্দ্র কি আমাদের বাংলাতেও ছিল? সম্প্রতি মিলল সে আভাস-ই। ঘরের কাছেই খুঁজে পাওয়া গেল খ্রিস্টিয় নবম ও দশম শতকের একাধিক স্থাপত্য।

আরও পড়ুন: স্টপেজ সত্ত্বেও দাঁড়াল না ট্রেন, বিধাননগর স্টেশনে বড়সড় দুর্ঘটনা থেকে বাঁচলেন নিত্য যাত্রীরা

মাঘ মাসের শুক্ল পক্ষে আরাধনা করা হয় বাগদেবী সরস্বতীর। ঠিক সেই সময়ই পূর্ব বর্ধমানের বুদবুদের কাছে ভরতপুর নামক গ্রামে একটি প্রাচীন বিদ্যাপীঠের সন্ধান মিলেছে। ভারতীয় পুরাতত্ত্ব সর্বেক্ষণ গ্রামটিতে গত ১০ দিন ধরে খনন কাজ চালিয়ে একটি বৌদ্ধ বিহারের অস্তিত্বের প্রাথমিক প্রমাণ পেয়েছে।

সর্বেক্ষণে‘র কলকাতা সার্কেলের আধিকারিক শুভ মজুমদার বলেন, “ভরতপুরে একাধিক স্থাপত্যের হদিশ মিলেছে। এর মধ্যে একটি ঘর বা কক্ষ রয়েছে। তার বাইরে একটি প্রাচীরের নিদর্শন-ও পাওয়া গিয়েছে।” পুরাতত্ত্ববিদদের দাবি, এটি বিদ্যা চর্চার কেন্দ্র কিংবা উপাসনা গৃহ হওয়ার সম্ভাবনা প্রবল।

১৯৭১-৭২ নাগাদ সর্বেক্ষণ এবং বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের যৌথ উদ্যোগে ভরতপুরে খননকার্য শুরু হয়েছিল। তখনই একটি বৌদ্ধ স্তূপের সন্ধান পাওয়া যায়। পাশাপাশি গৌতম বুদ্ধের ছোট মূর্তিও উদ্ধার হয়েছিল। এবারে সেই একই এলাকায় এই ঘরটি পাওয়া গেল।

স্তূপটি নবম-দশম শতকের বলেই ধারণা করা হচ্ছে। অন্ততঃ ইটের গাঁথুনি দেখে তেমনটাই অনুমান করছেন বিশেষজ্ঞরা। তাছাড়া যে ইটের প্রাচীরের নিদর্শন পাওয়া গিয়েছে, তা অনুমান করা হচ্ছে গুপ্ত পরবর্তী যুগের। শুভ মজুমদার জানান, “এটি একটি বড় কক্ষ ছিল বলে অনুমান করতে পারি। কক্ষটি আমরা খনন করে সম্পূর্ণ বের করে আনতে চাই। দেখতে হবে এর পাশাপাশি আরও কোনও কক্ষ ছিল কিনা।”

খাস খবর ফেসবুক পেজের লিঙ্ক:
https://www.facebook.com/khaskhobor2020/

অন্যদিকে পুরাতত্ত্ববিদ রূপেন্দ্র কুমার চট্টোপাধ্যায়ের মতে, এ ধরণের বিহারে পূজা পাঠ কিংবা অধ্যয়ন করা হত সাধারণত। তিনি বলেন, “এই বিহারটি বেশ কিছু সময় ধরে বৌদ্ধ সন্ন্যাসীদের ব্যবহার্য ছিল। হয়ত এটি বৌদ্ধ ধর্মচর্চা কেন্দ্র হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছিল।”



বার্তা সূত্র

সর্বাধিক পঠিত

সর্বশেষ সংবাদ