Skip to content

‘নাটক করছেন লকেট’, পোলবায় মদ উদ্ধারের ঘটনায় লকেটকে তীব্র আক্রমণ অসীমার

'নাটক করছেন লকেট', পোলবায় মদ উদ্ধারের ঘটনায় লকেটকে তীব্র আক্রমণ অসীমার
সন্দেশখালির স্টিং অপারেশনের ভাইরাল ভিডিয়ো নিয়ে তোলপাড় বাংলা। এরই মাঝে হুগলির বিজেপি প্রার্থী লকেট চট্টোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে সোশ্যাল মিডিয়ায় ভুল তথ্য ছড়ানোর অভিযোগ তুললেন হুগলি-শ্রীরামপুর জেলা তৃণমূলের চেয়ারপার্সন অসীমা পাত্রর। নিজের দাবির সপক্ষে কিছু ছবি ও লকেট চট্টোপাধ্যায়ের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টের প্রিন্টআউট তুলে ধরেন তিনি।একটি ভিডিয়ো বার্তায় অসীমা পাত্র বলেন, ‘পোলবা থানার চত্বরে নাকা চেকিং চলছিল এবং পোলবার জয়েন্ট বিডিওও উপস্থিত ছিলেন। একটি গাড়ি পরীক্ষা করে অ্যালকোহল পাওয়া গিয়েছে। উপযুক্ত কাগজপত্র না পাওয়ায় গাড়িটিকে বাজেয়াপ্ত করা হয়। আমার হাতে থাকা ছবিগুলি প্রমাণ দিচ্ছে যে, পুলিশ যখন মদ গাড়িটি পরীক্ষা করছিল তখন মদ বাজেয়াপ্ত করেছে। গাড়িতে থাকা তিনজনকে গ্রেফতার করা হলেও লকেট চট্টোপাধ্যায় এক্স হ্যান্ডেলে অভিযোগ করেছেন যে পুলিশ মদ নিয়ে যাচ্ছিল। আরও একটি বিভ্রান্তিকর পোস্ট এসেছে বিজেপি নেতা তরুণজ্যোতি তেওয়ারির কাছ থেকেও।’

অসীমা পাত্র আরও বলেন, ‘সত্যিটা হল পুলিশ গাড়িটি আটক করেছে এবং দোষীদের গ্রেফতার করেছে। লকেট চট্টোপাধ্যায় এর আগে সন্দেশখালীতে নাটক করেছিলেন, যার সত্যতা বেরিয়ে গিয়েছে। প্রধানমন্ত্রী সহ সমস্ত বিজেপি নেতারা সন্দেশখালির মহিলাদের অপমান করেছেন। আমি লজ্জিত বোধ করি যে নারীদের মিথ্যা ধর্ষণের মামলা করার জন্য শিক্ষা দেওয়া হয়। বিজেপি মণ্ডল সভাপতি এবং বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী এর পিছনে ছিলেন এবং ষড়যন্ত্র করেছিলেন। সেখানকার নাটকের মতোই এখানে নাটক করলেন লকেট চট্টোপাধ্যায়। আমি মনে করি এটি বিজেপির ষড়যন্ত্র, তাই প্রশাসনকে অনুরোধ করব মামলাটির ভালভাবে তদন্ত করার জন্য, যাতে মাস্টারমাইন্ডদের ধরা যায়।’

প্রসঙ্গত, মদ গাড়ি থেকে মদ উদ্ধারের ঘটনায় এক্স হ্যান্ডেলে লকেট চট্টোপাধ্যায় লেখেন, ‘অবিশ্বাস্য! সম্ভবত ভোটারদের আকৃষ্ট করার জন্য মদ পাচার করছে এমন একটি পুলিশ গাড়িকে আটকানো হল। কোন বৈধ ব্যাখ্যা নেই! এই দুর্নীতি এখনই শেষ করতে হবে। আমরা নির্বাচনে নোংরা কৌশলে পক্ষে দাঁড়াবো না। অবিলম্বে পদক্ষেপ প্রয়োজন!’

প্রসঙ্গত, একটি ভাইরাল স্টিং অপারেশনের ভিডিয়ো সামনে এনে সন্দেশখালিকাণ্ড নিয়ে বিজেপিকে নিশানা করেছে তৃণমূল। সেই ভিডিও-কে হাতিয়ার করে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় তোপ দাপেন, ‘সন্দেশখালি বিজেপির পরিকল্পিত চক্রান্ত। বাংলাকে ছোট করার নির্লজ্জ চক্রান্ত।’ যদিও পালটা বিজেপির দাবি, ভিডিয়ো সম্পূর্ণ ভুয়ো। বিরোধী দলনেতাকে কালিমালিপ্ত করতে এই ঘটনা ঘটানো হয়েছে। এই ঘটনার মধ্যে দিয়ে রাজ্যের শাসকদল আসলে সন্দেশখালির নির্যাতিতাদেরই অপমান করল।

বার্তা সূত্র