‘দয়া করে কাজ দিন’, বিগ বসে ‘হেরে’ সলমানকে অনুরোধ অভিনেতা শার্দুলের!

'দয়া করে কাজ দিন', বিগ বসে 'হেরে' সলমানকে অনুরোধ অভিনেতা শার্দুলের!

হাইলাইটস

  • ফলে মায়ের মন খারাপের কথা মাথায় রেখে সলমানের কাছে কাজ চাইলেন শার্দুল।
  • এর পর প্রায় ২ ঘণ্টা ওখানেই বসেছিলাম। আমি কাঁদতেও পারছিলাম না। আমার টাকার খুবই প্রয়োজন।
  • যাঁদের কাছে কাজ রয়েছে তাঁরা একটু ভেবে দেখুন কোথাও যদি আমাকে নেওয়া যায়।

বিগ বস ১৪ থেকে সম্প্রতি বেরিয়ে গেলেন অভিনেতা শার্দুল পণ্ডিত। তাঁর মা অসুস্থ, যাতে দ্রুত গিয়ে মায়ের সঙ্গে তিনি সময় কাটাতে পারেন, মায়ের দেখভাল করতে পারেন সে কারণে খুশি শার্দুল। তবে চিন্তায় রয়েছেন তাঁর মা।

কারণ আর্থিক অসংগতি। এত তাড়াতাড়ি বিগ বসের ঘর থেকে শার্দুল আউট হয়ে যাবেন তা ভাবতে পারেননি তিনি। ফলে মায়ের মন খারাপের কথা মাথায় রেখে সলমানের কাছে কাজ চাইলেন শার্দুল।

শার্দুলের কথায়, ‘আমার কাছে সলমানের ফোন নম্বর নেই। আমি ওঁকে একটা বার্তা দিতে চাই। আমার কাজ দরকার। অভিনেতা হিসেবে যে কোনও কাজ আমি করতে পারি। দয়া করে আমাকে কাজ দিন।’

সম্প্রতি একটি জাতীয় সংবাদসংস্থাকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে অভিনেতা বলেছেন, ‘যে মুহূর্তে আমি বিগ বস থেকে বেরোলাম, আমাকে ভ্যানিটিতে নিয়ে যাওয়া হল।

সেখানেই আমি অনুরোধ করেছিলাম আমাকে একবার সলমানের সঙ্গে কথা বলানোর জন্য। তিনি আমাকে বলেছিলেন কবিরা মতো আমিও গেমে ফিরতে পারি। এর পর প্রায় ২ ঘণ্টা ওখানেই বসেছিলাম। আমি কাঁদতেও পারছিলাম না। আমার টাকার খুবই প্রয়োজন।…’

লকডাউনের সময়ও কাজ হাতে না থাকায় মুম্বই ছেড়ে বাড়ি ফিরে গিয়েছিলেন শার্দুল। এমনই কাজহীন অবস্থায় দীর্ঘদিন ধরে মুম্বইতে থাকার পর শেষ পর্যন্ত স্বপ্ননগরী ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন জনপ্রিয় অভিনেতা শার্দুল কুণাল পণ্ডিত। বন্দিনী, কুলদীপক, সিদ্ধি বিনায়ক-এর মতো একাধিক হিন্দি সিরিয়ালের জনপ্রিয় অভিনেতা তিনি।

কাজ না থাকায় একেবারেই হাতে কোনও টাকা নেই। মাসের শেষে যে সমস্ত খরচ বহন করতে হয় তা কোনও ভাবেই জোগাড় করতে পারছেন না তিনি। সে কারণে মুম্বই ছেড়ে নিজের হোমটাউন ইন্দোরে ফিরে গিয়েছিলেন তিনি। ইনস্টাগ্রামে একটি দীর্ঘ লম্বা পোস্ট করে কাস্টিং ডিরেক্টরদের কাছে তিনি আবেদন করেছিলেন নতুন কোনও কাজের। এমনকী যদি কোনও সঞ্চালনার কাজও থাকে, সেটিও যেন তাঁকে জানানো হয় বলে আর্জি জানিয়েছিলেন অভিনেতা।

তিনি ইনস্টাগ্রামের ওই পোস্টে লিখেছিলেন, ‘এটা আমার শেষ চেষ্টা সবার কাছে পৌঁছনোর। যাঁদের কাছে কাজ রয়েছে তাঁরা একটু ভেবে দেখুন কোথাও যদি আমাকে নেওয়া যায়। আমি এই মুহূর্তে যে কোনও চরিত্রে কাজের জন্য রাজি।’ তিনি আরও বলেছেন, ‘লকডাউনের কিছুদিন আগেই একটা ওয়েব সিরিজে কাজের সুযোগ পেয়েছিলাম।

কিন্তু তখনই আমার কাছে কোনও টাকা নেই। ওই মুহূর্তে আমার মুম্বই ছেড়ে চলে যাওয়া ছাড়া আর কোনও উপায় ছিল না।’ তাঁর মতে, ‘আমি কাজ করি বা না করি, বাড়ি ভাড়া এবং অন্য সব কিছুর টাকা আমাকে দিতেই হবে। আমি যদি এখন কোনও বড় প্রজেক্টে কাজ পেয়েও যাই তাহলেও আমাকে তিন মাস অপেক্ষা করতে হবে পেমেন্টের জন্য। এটাই ইন্ডাস্ট্রির নিয়ম। কিন্তু একজন টেলিভিশন আর্টিস্টের জন্য এভাবে অপেক্ষা করা দেওয়ালে পিঠ ঠেকে যাওয়া। খরচ তো বন্ধ হচ্ছে না।’

আরও পড়ুন: এবার সলমানের ঘরে ঢুকল করোনা, সপরিবারে আইসোলেশনে ভাইজান

বার্তা উৎস

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।