Skip to content

ঢাকা থেকে কী ভাবে যাবেন দার্জিলিং? রইল খুঁটিনাটি তথ্য

ঢাকা থেকে কী ভাবে যাবেন দার্জিলিং? রইল খুঁটিনাটি তথ্য
তীব্র গরমে হাঁসফাঁস করছেন বাংলাদেশের বাসিন্দারা। সেখানের সবাই চাইছেন গরমের হাত থেকে মুক্তি। আর এই গরমের হাত থেকে রেহাই পাওয়ার জন্য সব থেকে আদর্শ স্থান হতে পারে দার্জিলিং। পশ্চিমবঙ্গের এই প্রিয় পর্যটন কেন্দ্র দার্জিলিং-এ খুব সহজেই আসা যায় বাংলাদেশ থেকে।কুয়াশামাখা মায়াময় রাস্তা দূর পাহাড়ের সাদা চূড়ার দিকে মুগ্ধ হয়ে তাকিয়ে থাকা, ঝর্ণার পাশে চুপ করে বসে থাকার মধ্যে নিস্তব্ধতার মধ্যেও পাওয়া যাবে অপার্থিব শান্তি। দার্জিলিং-এর ম্যালে সব কাটানোর পাশাপাশি আশেপাশের অনেক জায়গাতেও হোটেল বা হোমস্টেতে থাকতে পারবেন বাংলাদেশের লোকজন।

কীভাবে আসা যাবে?
পাহাড়ের রানি বলে পরিচিত দার্জিলিং-এ খুব সহজেই আসা যায় বাংলাদেশ। বাংলাদেশের কেউ ট্রেনে, বাসে বা বিমানে কলকাতা এসে সেখান থেকে যেতে পারেন দার্জিলিং। আবার ঢাকা থেকে সরাসরি নিউ জলপাইগুড়ি এসে সেখান থেকে দার্জিলিং যেতে পারবেন। এখন ঢাকা থেকে নিউজলপাইগুড়ি পর্যন্ত সরাসরি ট্রেন আসে। ওই রুটে মিতালি এক্সপ্রেস সপ্তাহে দু’দিন চলে।

হলদিবাড়ি এবং চিলাহাটি রুট দিয়ে চলে এই ট্রেনটি । প্রত্যেক রবিবার এবং বুধবার নিউ জলপাইগুড়ি স্টেশন থেকে এবং সোমবার ও বৃহস্পতিবার ঢাকা থেকে ট্রেনটি ছাড়ে। রাত ৯টা ৫০মিনিটে ট্রেনটি ঢাকা ছেড়ে পরদিন সকাল ৭টা ১৫মিনিটে নিউ জলপাইগুড়ি পৌঁছায়। ঢাকা–নিউ জলপাইগুড়ি মিতালি এক্সপ্রেসের এসি স্লিপার ক্লাসের ভাড়া ৬৭২০ টাকা এবং এসি চেয়ার কারের ভাড়া ৪২৯০ টাকা।

সেখান থেকে শিলিগুড়ি আসার পরে বাসে বা গাড়ি ভাড়া করে সোজা চলে যাওয়া যাবে দার্জিলিং। কেউ চাইলে দার্জিলিং না গিয়ে আশেপাশের জায়গাতে থাকতে পারেন। এছাড়াও কেউ ঢাকা থেকে বুড়িমারী এসে, চ্যাংরাবান্দা বর্ডার দিয়ে এসেও সেখান থেকে দার্জিলিং যেতে পারেন।

ঘুমের দেশে
শৈল শহরের রানি নামে পরিচিত দার্জিলিং। প্রায় সারা বছরজুড়ে শীতলতা মাখা এই শহর মেঘের স্বর্গরাজ্য। চারদিকে চা -বাগান আর সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ৭৪০৮ ফিট উচ্চতায় অবস্থিত দার্জিলিং বিখ্যাত হিমালয়ন রেলওয়ের জন্য। সেই টয় ট্রেনে করেই আসা যায় সব থেকে উঁচু স্টেশন ঘুম। সেখানে এসে উপভোগ করা যায় বাতাসিয়া লুপের অনাবিল সৌন্দর্য।

Dhaka To Kolkata Train : বাংলাদেশ ভ্রমণের খরচ একলাফে বাড়ছে! ট্রেন ভাড়া জানেন?

কোথায় থাকবেন?দার্জিলিং-এ থাকার জায়গার অভাব নেই। ম্যাল বা মলের আশেপাশে যেমন প্রচুর এবং বিভিন্ন বাজেটের হোটেল আছে, তেমনই দার্জিলিং-এর আশেপাশেও আছে অনেক হোমস্টে। যারা একটু নিরিবিলি আর চুপচাপ থেকে ব্যালকনিতে বসে ভোরের কাঞ্চনজঙ্ঘা উপভোগ করতে চান তারা দার্জিলিং না এসে থাকতে পারেন লেপচাজগৎ, ঘুম বা আশেপাশের কোনও জায়গায়। সেখানে বসেও উপভোগ যায় যায় পাহাড়ি সৌন্দর্যকে।

বার্তা সূত্র