Skip to content

জাপানি অর্থনৈতিক অঞ্চল বিএসইজেড উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

জাপানি অর্থনৈতিক অঞ্চল বিএসইজেড উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

উন্নয়ন যাত্রায় বাংলাদেশের পাশে থাকবে জাপান: রাষ্ট্রদূত ইতো নাওকি

বাংলাদেশে নিযুক্ত জাপানের বিদায়ী রাষ্ট্রদূত ইতো নাওকি বলেছেন, নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজারে সদ্য চালু হওয়া বাংলাদেশ স্পেশাল ইকোনমিক জোন (বিএসইজেড) নিঃসন্দেহে শুধু জাপানি কোম্পানি নয়, অন্যান্য আন্তর্জাতিক কোম্পানি থেকে বিনিয়োগ আকর্ষণ করবে। নাওকি বলেন, “আমি আশা করি ভবিষ্যতে ১০০টিরও বেশি কোম্পানি এখানে কাজ করবে। যেখানে মোট ১৫০ কোটি ডলার বিনিয়োগ রয়েছে। এই অঞ্চলে বিএসইজেড সম্ভাব্য বিনিয়োগকারীদের সর্বোত্তম পরিবেশ সরবরাহ করতে পারে।”

রাষ্ট্রদূত নাওকি বলেন যে ২০২৬ সালে বাংলাদেশ এলডিসি মর্যাদা থেকে উন্নীত হবে এবং এই সরকারের অধীনে এটি বাংলাদেশের জন্য একটি বিস্ময়কর অর্জন। বিএসইজেডের সাফল্য অবশ্যই তাদের সেখানে যেতে পথ দেখাবে বলে উল্লেখ করেন তিনি। বলেন, “দেশটি ভিশন ২০৪১ অর্জনের মাধ্যমে একটি উন্নত দেশে পরিণত হওয়ার লক্ষ্য রাখে। আমি আবারও বলতে চাই যে, জাপান তার উন্নয়ন যাত্রায় বাংলাদেশের পাশে থাকবে এবং আমাদের সমৃদ্ধ ভবিষ্যতের জন্য একটি জয়-জয়কার অংশীদারিত্ব গড়ে তুলতে কাজ করবে।”

রাষ্ট্রদূত নাওকি জানান যে ঢাকায় তার মেয়াদ শেষ করে আগামী সপ্তাহে তিনি জাপানে ফিরবেন এবং তিনি বাংলাদেশের উন্নয়নে গত তিন বছরে তার সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা চালিয়েছেন। তিনি বলেন, “আমি আন্তরিকভাবে আশা করি বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা এবং একটি সুখী-সমৃদ্ধ দেশ গড়ার স্বপ্ন বাস্তবায়িত হবে।”

রাষ্ট্রদূত বলেন, “আমি আনন্দিত যে আমাদের নেতাদের উদ্দেশ্য অবশেষে বাস্তবায়িত হয়েছে। কোভিড-১৯ সহ আমরা যে সমস্ত চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হয়েছি তা কাটিয়ে উঠতে পেরেছি।”

নাওকি বলেন, “এটি জাপানি অর্থনৈতিক অঞ্চল। বেজা নাম দিয়েছে ‘বাংলাদেশ স্পেশাল ইকোনমিক জোন (বিএসইজেড)।’ আমি বিশ্বাস করি বেজা এবং সরকার এটা করেছে এই প্রত্যাশা নিয়ে যে এটি বাংলাদেশে ফ্ল্যাগশিপ এসইজেড হয়ে উঠবে।” তিনি বলেন, “এটি সরাসরি বিদেশি বিনিয়োগ(এফডিআই) বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে এবং জাপান ও বাংলাদেশের মধ্যে ক্রমবর্ধমান ব্যবসায়িক অংশীদারিত্বের প্রতীক হয়ে উঠবে।

জাপানের রাষ্ট্রদূত জানান যে এমআরটি লাইন-১ এবং লাইন-৫ উত্তর আগামী ২০২৩ সালে নির্মাণ শুরু হবে। তারপর, হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের টার্মিনাল-৩ এর একটি সফট-ওপেনিং হবে। মাতারবাড়ী গভীর সমুদ্র বন্দরও নির্মাণাধীন রয়েছে। ২০২৪ সালে পাওয়ার প্ল্যান্টের কাজ শেষ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। একই বছরে বঙ্গবন্ধু রেলওয়ে সেতু চালু হবে। জাইকার এই মানসম্পন্ন অবকাঠামো প্রকল্পগুলো বাংলাদেশকে বদলে দেবে এবং বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সুযোগকে উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি করবে।

সূত্র: ভয়েজ অব আমেরিকা