Skip to content

চট্টগ্রামে কোরবানির হাটে অসুস্থ প্রাণী বিক্রি বন্ধ, থাকবে ৭৩ মেডিক্যাল টিম

চট্টগ্রামে কোরবানির হাটে অসুস্থ প্রাণী বিক্রি বন্ধ, থাকবে ৭৩ মেডিক্যাল টিম

ফাই

এম আর আমিন, চট্টগ্রাম: পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে চট্টগ্রাম নগরীতে স্থায়ী-অস্থায়ী মিলে ১০টি স্থানে বসবে কোরবানির পশুর হাট। চসিক সূত্র জানায়, নগরীতে ২৩টি অস্থায়ী পশুর হাট বসানোর অনুমোদন চেয়ে জেলা প্রশাসনের কাছে চিঠি দেয় সিটি করপোরেশন। জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ৯টি হাটের অনুমোদন দেয়া হয়। কিন্তু অনুমোদন দেয়া হয় অনেক দেরিতে। সিটি করপোরেশন তাড়াহুড়ো করে দরপত্র আহ্বান করে। কিন্তু ৯টি হাটের মধ্যে ৭টি হাটের জন্য ইজারাদার পেলেও কাঙ্খিত মূল্য পায়নি। এ দিকে রোগাক্রান্ত এবং ক্ষতিকর ওষুধে মোটাতাজা করা প্রাণী এবার বিক্রি হবে না চট্টগ্রামের কোরবানির হাটে।

জেলা প্রাণিসম্পদ সূত্রে জানা যায়, হাটে রোগাক্রান্ত কোনও প্রাণী বিক্রি করতে দেবে না। নগরী ও জেলা মিলিয়ে ২৩২টি স্থায়ী ও অস্থায়ী হাট রয়েছে। এসব হাটে তদারকিতে থাকবে ৭৩টি মেডিক্যাল টিম।

জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মোহাম্মদ আলমগীর জানিয়েছেন, চট্টগ্রামে এবার কোরবানিতে ৮ লাখ ৭৯ হাজার ৭১৩টি প্রাণীর সম্ভাব্য চাহিদা রয়েছে। এর মধ্যে স্থানীয় খামারে এবং কৃষকদের কাছে বিক্রিযোগ্য প্রাণী রয়েছে ৮ লাখ ৪২ হাজার ১৬৫টি।

জেলা প্রাণিসম্পদ কার্যালয় সূত্র জানায়, ২৩২টি হাটের মধ্যে চসিকের ১০টি, মীরসরাইয়ে স্থায়ী ও অস্থায়ী মিলে ২১টি, সীতাকুণ্ডে ১০টি, সন্দ্বীপে ১৪টি, ফটিকছড়িতে ৩০টি, রাউজানে ২২টি, রাঙ্গুনিয়ায় ২০টি, হাটহাজারীতে ৭টি, বোয়ালখালীতে ১২টি, পটিয়ায় ১০টি, চন্দনাইশে ১৪টি, আনোয়ারায় ১৫টি, সাতকানিয়ায় ৭টি, লোহাগাড়ায় ১৬টি, বাঁশখালীতে ১১টি, কর্ণফুলীতে ২টি, কোতয়ালিতে ৪টি, ডবলমুরিংয়ে ৫টি এবং পাঁচলাইশে ২টি গবাদি প্রাণীর হাট বসছে। এসব হাট তদারকিতে থাকবে ৭৩টি মেডিক্যাল টিম। 

চট্টগ্রাম জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা, মোহাম্মদ আলমগীর বলেন, স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত পশু দিয়ে ৯৫ থেকে ৯৬ শতাংশ চাহিদা পূরণ করা যাবে। বাকি ৪ থেকে ৫ শতাংশ পশু চট্টগ্রামের আশপাশ এবং বিভিন্ন জেলা থেকে আসবে। এসব পশু দিয়ে চাহিদার বেশিও হয়ে যায়। তাই এবারও কোরবানির পশুর কোনো সংকট হবে না। সম্পাদনা: অনিক কর্মকার

প্রতিনিধি/একে

বার্তা সূত্র