ক্ষয়িষ্ণু গণতন্ত্রের দেশ হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রের নাম ঘোষণা | আন্তর্জাতিক

ক্ষয়িষ্ণু গণতন্ত্রের দেশ হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রের নাম ঘোষণা | আন্তর্জাতিক

ক্ষয়িষ্ণু গণতন্ত্রের দেশ হিসেবে ঘোষণা করা হলো যুক্তরাষ্ট্রকে। দেশটিতে সংখ্যালঘুদের অধিকার নিয়ে উদ্বিগ্ন জাতিসংঘ। এমন পরিস্থিতিতে গণতন্ত্র সম্মেলন আয়োজন করতে যাচ্ছে জো বাইডেন প্রশাসন, যা মড়ার ওপর খাঁড়ার ঘা’র দশা হয়ে দাঁড়িয়েছে এই ডেমোক্র্যাট নেতার জন্য। এরই মধ্যে বিষয়টি নিয়ে তুমুল সমালোচনা হচ্ছে দেশটিতে।

দেশের ভেতর যখন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের জনপ্রিয়তায় ভাটা পড়েছে, তখন দেশের বাইরেও সমালোচনার মুখে যুক্তরাষ্ট্র। ৯ ও ১০ ডিসেম্বর দুদিনব্যাপী গণতন্ত্র সম্মেলন নিয়ে ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে সমালোচনা। প্রথম সমালোচনা হয় বাংলাদেশের নাম না থাকায়। এরপর বিতর্ক দেখা দেয়, বেশ কিছু দুর্বল গণতন্ত্রের দেশকে আমন্ত্রণ জানানোয়। প্রশ্নবিদ্ধ হয় আমন্ত্রণ তালিকা।

১০৯টি দেশের সরকারের পাশাপাশি তাইওয়ানকে গণতন্ত্র সম্মেলনে আমন্ত্রণ জানিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ভুল করেছে বলে জানিয়েছে চীন। বুধবার চীনের তাইওয়ানবিষয়ক কার্যালয়ের মুখপাত্র বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ও তাইওয়ানের মধ্যে যে কোনো আনুষ্ঠানিক যোগাযোগের বিরোধিতা করবে বেইজিং। এ নিয়েও এখন বিপাকে ওয়াশিংটন, কারণ এটিকে এজেন্ডা বাস্তবায়নমূলক দাওয়াত হিসেবে দেখছেন বিশ্লেষকরা।

আরও পড়ুন: তেল ঘাটতি: বাইডেনের দেখানো পথে হাঁটল জাপান

অন্যদিকে ইন্টারন্যাশনাল ইনস্টিটিউট ফর ডেমোক্রেসি অ্যান্ড ইলেক্টোরাল অ্যাসিসট্যান্সের এক রিপোর্টে প্রথমবারের মতো ‘ক্ষয়িষ্ণু গণতন্ত্র’র দেশগুলোর তালিকায় উঠে এসেছে যুক্তরাষ্ট্রের নাম। গণতন্ত্রের অন্যতম মৌলিক ভিত্তি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন। কিন্তু ২০২০ সালে প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের পর সেই নির্বাচন নিয়েই প্রশ্ন উঠেছে, যা মার্কিন ইতিহাসে বিরল।

তাছাড়া জনগণ, বিশেষ করে কৃষ্ণাঙ্গ ও অন্যান্য ধর্মীয় সংখ্যালঘু গোষ্ঠীর মতপ্রকাশ তথা বাকস্বাধীনতা, ন্যায়বিচার প্রাপ্তির অধিকার রক্ষায় চরমভাবে ব্যর্থ হচ্ছে সরকার ও প্রশাসন। সংখ্যালঘু অধিকার নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের এই উদাসীনতায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছে জাতিসংঘও। এমন অবস্থায় আগ বাড়িয়ে গণতন্ত্র সম্মেলন করা যুক্তরাষ্ট্রের সাজে না বলে মনে করছেন অনেক বিশ্লেষক।

]]>
সূত্র: সময় টিভি

Share on facebook
Share on twitter
Share on whatsapp
Share on email