কেরির ঢাকা সফর ও জলবায়ু কূটনীতি

কেরির ঢাকা সফর ও জলবায়ু কূটনীতি

ড. তারেক শামসুর রেহমান

এক সংক্ষিপ্ত সফরে বাংলাদেশে এসেছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের জলবায়ুবিষয়ক বিশেষ দূত ও দেশটির সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী জন কেরি। ৯ এপ্রিল তিনি ঢাকায় এসেছিলেন এবং ওইদিনই তিনি চলে যান। উদ্দেশ্য ছিল আগামী ২২-২৩ এপ্রিল জো বাইডেন যে বিশ্বনেতাদের সঙ্গে এক ভার্চুয়াল সম্মেলনের আয়োজন করতে যাচ্ছেন, ওই সম্মেলনে যোগ দিতে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে আমন্ত্রণ। বিশ্বের উষ্ণতা বৃদ্ধি রোধকল্পে করণীয় নির্ধারণে ৪০টি দেশ ও সরকারপ্রধানদের সঙ্গে বাইডেন মতবিনিময় করবেন। বাংলাদেশকে আনুষ্ঠানিকভাবে আমন্ত্রণ জানাতেই কেরি বাংলাদেশে এসেছিলেন। বলা ভালো, ২০১৫ সালের নভেম্বরে প্যারিস কপ-২১ সম্মেলনে যুক্তরাষ্ট্রসহ ১৯৩টি দেশ নিয়ে একটি চুক্তিতে আবদ্ধ হয়েছিল। কিন্তু ট্রাম্প ক্ষমতায় গিয়ে কপ-২১ সম্মেলনে গৃহীত সিদ্ধান্ত থেকে যুক্তরাষ্ট্রকে বের করে আনেন। কিন্তু জো বাইডেন আবার ‘কপ’ আলোচনায় ফিরে গেছেন। বিশ্বের জিডিপির শতকরা ৭৫ ভাগ ধনী দেশগুলোর। অথচ লোকসংখ্যা মাত্র বিশ্বের শতকরা ১৯ ভাগ। কিন্তু কার্বন নিঃসরণ করে সবচেয়ে বেশি, শতকরা ৫১ ভাগ। অন্যদিকে গ্রুপ-৭৭-এর (দেশগুলো মোট ১৩০টি দেশ) বিশ্বের জনসংখ্যার শতকরা ৭৬ ভাগ, জিডিপির মাত্র শতকরা ১৯ ভাগ। কিন্তু কার্বন উদগিরণ করে শতকরা ৪২ ভাগ। আবার সাগর পাড়ের দেশগুলো, যারা বিশ্বের জনসংখ্যা জিডিপি ও কার্বন নিঃসরণ করে মাত্র শতকরা ১ ভাগ; তাদের দাবি ছিল ২০২০ সালের মধ্যে কার্বন নিঃসরণের পরিমাণ বর্তমান অবস্থার চেয়ে শতকরা ৮৫ ভাগ কমিয়ে আনার।

বনাঞ্চলভুক্ত দেশগুলো, যারা ‘রেইন ফরেস্ট কোয়ালিশন’ হিসেবে পরিচিত, তারা বিশ্বজনগোষ্ঠীর শতকরা ১৯ ভাগের প্রতিনিধিত্ব করে। জিডিপির মাত্র শতকরা ৩ ভাগ তাদের। আর মাত্র শতকরা ৪ ভাগ কার্বন নিঃসরণ করে। যুক্তরাষ্ট্র একা কার্বন নিঃসরণ করে শতকরা ২০ ভাগ, জিডিপির শতকরা ২৪.৪ ভাগ তাদের। অথচ জনসংখ্যা মাত্র বিশ্বের শতকরা ৫ ভাগ। ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশগুলো বিশ্ব জিডিপির শতকরা ১৬ ভাগ ও জনসংখ্যার শতকরা ৮ ভাগের প্রতিনিধিত্ব করে। কিন্তু কার্বন নিঃসরণ করে শতকরা ১৫ ভাগ। চীনকে নিয়ে সমস্যা তখন অনেক। চীন একা কার্বন নিঃসরণ করে শতকরা ২১ ভাগ। বিশ^ জনসংখ্যার শতকরা ২০ ভাগই চীনা নাগরিক। জিডিপির শতকরা ৬.১ ভাগ তাদের। প্রতিটি গ্রুপের অবস্থান ভিন্ন ভিন্ন। সবাই নিজস্ব দৃষ্টিভঙ্গির আলোকে কার্বন নিঃসরণের হার কমাতে চায়। জাতিসংঘ এটাকে বলছে কার্বন ঘনত্ব। অর্থাৎ দেশের মোট অভ্যন্তরীণ উৎপাদন বা মোট আয়ের (জিডিপি) অনুপাতে কার্বন-ডাই অক্সাইড উদগিরণের হারকে কার্বন ঘনত্ব বা গ্রিন হাউজ গ্যাসের ঘনত্ব বলা হয়। উন্নয়নশীল বিশ্ব মনে করে এই হার মাথাপিছু জনসংখ্যা ধরে করা উচিত। কার্বন-ডাই অক্সাইড নিঃসরণে হার কমানো উচিত এটা মোটামুটিভাবে সবাই মেনে নিয়েছেন। কিন্তু কে কতটুকু কমাবে, সে প্রশ্নের কোনো সমাধান হয়নি। যেহেতু যুক্তরাষ্ট্র ও চীন (এবং সেই সঙ্গে ভারতও) বিশ্বে সবচেয়ে বেশি দূষণ ছড়ায়, সে কারণে এই দুটো দেশের কাছ থেকে ‘কমিটমেন্ট’ আশা করেছিল বিশ^। কিন্তু তা হয়নি। চীন প্রস্তাব করেছিল ২০০৫ সালের কার্বন ঘনত্বের চেয়ে দেশটি ২০২০ সালে শতকরা ৪০ থেকে ৫০ ভাগ কমাবে। আর যুক্তরাষ্ট্রের দাবি ছিল তারা শতকরা ১৭ ভাগ কমাবে। কিন্তু চীন ও ভারত যুক্তরাষ্ট্রের এই প্রস্তাবে রাজি হয়নি। এখানে বলা ভালো, চীনের কার্বন ঘনত্ব শতকরা ২.৮৫ টন, আর ভারতের শতকরা ১.৮ টন। চীন ও ভারত দুটো দেশই বড় অর্থনীতির দেশে পরিণত হয়েছে এই শতাব্দীতেই। বিশ্বব্যাংকের সাবেক উপদেষ্টা হরিন্দর কোহলির মতে আগামী ৩০ বছরে ভারত বিশ্বের অন্যতম বড় অর্থনীতির দেশে পরিণত হবে। মাথাপিছু আয় তখন ৯৪০ থেকে বেড়ে ২২ হাজার ডলারে উন্নীত হবে। ২০০৭ সালে বিশ^ অর্থনীতিতে ভারত অবদান রাখত মাত্র শতকরা ২ ভাগ, ৩০ বছর পর অবদান রাখবে শতকরা ১৭ ভাগ। তবে এটা ধরে রাখতে হলে অর্থনীতির প্রবৃদ্ধি হতে হবে শতকরা ৮ থেকে ৯ ভাগ। এ কারণেই ভারতকে নিয়ে ভয় তাদের কার্বন ঘনত্ব বাড়বে। কেননা প্রবৃদ্ধি বাড়াতে হলে শিল্পপ্রতিষ্ঠান চালু রাখতে হবে। আর তাতে করে কার্বন নিঃসরণের পরিমাণ বাড়বে। পাঠকদের এখানে স্মরণ করিয়ে দিতে চাই ১৯৯৭ সালে কিয়োটো সম্মেলনে ১৬০টি দেশ অংশ নিয়েছিল এবং সেখানে যে সমঝোতা প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল, তাতে ইউরোপীয় ইউনিয়ন ১৯৯০ সালের কার্বন-ডাই অক্সাইড নিঃসরণের মাত্রার চেয়ে ৮ শতাংশ, যুক্তরাষ্ট্র ৭ শতাংশ জাপান ৬ শতাংশ হ্রাস করার কথা ছিল। তা ছাড়া সার্বিকভাবে ৫.২ শতাংশ গ্যাস নিঃসরণ হ্রাসের আইনগত বাধ্যবাধকতা নির্ধারণ করা হয়েছিল। সিদ্ধান্ত হয়েছিল সবগুলো দেশকে ২০০৮-২০১২ সালের মধ্যে গ্যাস নিঃসরণ হ্রাসের লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করতে হবে। তৎকালীন মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট আল গোর কিয়োটো চুক্তিতে স্বাক্ষর করলেও পরে বুশ প্রশাসন ওই চুক্তি থেকে নিজেদের প্রত্যাহার করে নেয়। ফলে কিয়োটো চুক্তি কাগজ-কলমে থেকে গিয়েছিল। তবে প্যারিসে চুক্তি হয়েছিল। কিন্তু এই চুক্তির ভবিষ্যৎ পরে অনিশ্চিত হয়ে ওঠে ট্রাম্পের সময়।

বিশ্বের উষ্ণতা বৃদ্ধি পেলে যে কটি দেশ ক্ষতিগ্রস্ত হবে, তার মধ্যে বাংলাদেশ অন্যতম। বাংলাদেশের উপকূলে প্রতি বছর ১৪ মিলিমিটার করে সমুদ্রের পানি বাড়ছে। গত ২০ বছরে সমুদ্রের উচ্চতা বৃদ্ধি পেয়েছে ২৮ সেন্টিমিটার। সমুদ্রের পানি বেড়ে যাওয়ায় উপকূলের মানুষ অন্যত্র চলে যেতে বাধ্য হয়েছে। বাংলাদেশে প্রতি ৭ জনে ১ জন মানুষ আগামীতে উদ্বাস্তু হবে। শতকরা ১৭ ভাগ এলাকা সমুদ্রে বিলীন হয়ে যাবে। বাংলাদেশ কোপেনহেগেন ‘কপ’ সম্মেলনে পরিবেশগত উদ্বাস্তুদের Universal Natural Person হিসেবে ঘোষণা করার দাবি জানিয়েছিল। কিন্তু তা গ্রহণ করা হয়নি। অতীতে ‘কপ’ ((Cop)-এর দোহা সম্মেলনে একটি সিদ্ধান্ত হয়েছিল যে, উন্নয়নশীল দেশগুলোকে আর্থিকভাবে সাহায্য করা হবে, যাতে এই দেশগুলো জলবায়ু সমস্যা মোকাবিলা করতে পারে। উন্নত বিশ্ব প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল ২ দশমিক ৫ বিলিয়ন ডলারের, যেখান থেকে বাংলাদেশকে প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল ১৩০ মিলিয়ন ডলার। বলা হয়েছিল, জলবায়ু সমস্যা মোকাবিলায় পশ্চিমা বিশ্ব উন্নয়নশীল বিশ্বকে প্রযুক্তি দিয়ে সহায়তা করবে। কিন্তু এই প্রতিশ্রুতিও রাখেনি পশ্চিমা বিশ্ব। ফলে প্যারিসে যে সমঝোতা হয়েছিল (২০১৫), তা নিউইয়র্কে (২০১৬) একটি চুক্তি স্বাক্ষরের মধ্য দিয়ে আইনগতভাবে কার্যকর হলেও তা নিয়ে প্রশ্ন ছিল। মার্কিন সাবেক ভাইস প্রেসিডেন্ট ও পরিবেশবিদ আল গোর নিজে একটি প্রবন্ধে বাংলাদেশের কথা উল্লেখ করেছিলেন। তিনি লিখেছিলেন, সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা ১ মিটার বাড়লে ২০৫০ সাল নাগাদ ২ থেকে আড়াই কোটি বাংলাদেশিকে অন্যত্র স্থানান্তরিত করতে হবে। এর অর্থ প্রচুর মানুষ হারাবে তাদের বসতি, তাদের পেশা। সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বাড়া মানে কেবল বন্যা নয়, এর মানে নোনাপানির আগ্রাসন। সেই সঙ্গে ধানের আবাদ ধ্বংস হয়ে যাওয়া। ২ কোটি কৃষক, জেলে পেশা হারিয়ে শহরে, বিশেষ করে ঢাকা শহরে এসে নতুন নতুন বস্তি গড়ে তুলবে। রিকশা চালানোর জীবন বেছে নেবে। সৃষ্টি হবে একটি শ্রেণির, যারা শহরে মানুষের ভাষায় ‘জলবায়ু উদ্বাস্তু’। এই ‘জলবায়ু উদ্বাস্তু’-দের নিয়ে রাজনীতি হবে! বিদেশে অর্থ সাহায্য চাওয়া হবে। ইতিমধ্যে বাংলাদেশে প্রাপ্ত সাহায্যের ব্যবহার নিয়ে নানা অনিয়মের খবর পত্রপত্রিকায় ছাপা হয়েছে। এবং খুব কম ক্ষেত্রেই সরকার এমন অনিয়ম রোধ করতে পেরেছে। ২০১৬ সালে একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল বটে, কিন্তু চুক্তির কোনো বাধ্যবাধকতা না থাকায় বিশে^র উষ্ণতা রোধকল্পে এই চুক্তি কতটুকু কার্যকর হয়, তা নিয়ে একটি বড় ধরনের অনিশ্চয়তা থেকে গিয়েছিল।

জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে বাংলাদেশ যে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে, তা এখন আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত। একাধিক গবেষণায় তা প্রমাণিতও। ছয় বছর আগে একটি শঙ্কার কথা আমাদের জানিয়েছিল এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক বা এডিবি। বাংলাদেশ এই জলবায়ু পরিবর্তনে কতটুকু ক্ষতিগ্রস্ত হবে, এডিবির রিপোর্টে সে কথা উল্লেখ করা হয়েছিল। এডিবি জানিয়েছে, ২০৫০ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশের জিডিপি প্রবৃদ্ধি গড়ে ১ দশমিক ৮ শতাংশ করে কম হতে পারে। আর চলতি শতাব্দী শেষে এই ক্ষতি হতে পারে প্রায় ৯ শতাংশ। আর বৈশ্বিক তাপমাত্রা বাড়তে পারে ৪ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এডিবির ওই রিপোর্টে দক্ষিণ এশিয়ার অপর দুটি দেশ নেপাল ও মালদ্বীপের ক্ষতির কথাও উল্লেখ করা হয়েছিল। গত ১৯ আগস্ট (২০১৪) ঢাকায় এডিবির এই রিপোর্টটি উপস্থাপন করা হয়েছিল।

২০১৮ সালের অক্টোবরে দক্ষিণ কোরিয়ার ইনচিয়ন শহরে অনুষ্ঠিত হয়েছিল জাতিসংঘের দ্য ইন্টারগভর্নমেন্টাল প্যানেল অন ক্লাইমেট চেঞ্জ বা আইপিসিসির বিশেষ অধিবেশন। একটি প্রতিবেদনও তারা প্রকাশ করেছিল। তাতে বলা হয়েছিল বৈশ্বিক তাপমাত্রা বৃদ্ধি ১ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে রাখা না গেলে বিপর্যয় দেখা দেবে। সম্মেলনে ওয়ার্কিং গ্রুপের সহসভাপতি ডেব্রা রবার্টস বলেছিলেন, বিজ্ঞানীদের পক্ষ থেকে এটাই সবচেয়ে বড় সতর্কবার্তা। এই মুহূর্ত থেকে সবাইকে এ ব্যাপারে উদ্যোগী হতে হবে। এটাই হচ্ছে আসল কথা। কপ-২১ সম্মেলনে যে সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছিল, তা বাস্তবায়নে এগিয়ে আসতে হবে। বিশ্ব গত চার বছরে এ ক্ষেত্রে অনেক পিছিয়ে গেছে। ট্রাম্প অনেক ক্ষতি করে গেছেন। এখন বাইডেন এগিয়ে এসেছেন। তার উদ্যোগ নিঃসন্দেহে প্রশংসনীয়।

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী আমন্ত্রণ পেয়েছেন বিশ্বের ৪০ জন নেতার সঙ্গে বাংলাদেশের সমস্যা তুলে ধরার। জলবায়ু পরিবর্তনে বাংলাদেশের যে ক্ষতি হয়েছে, তার জন্য বাংলাদেশ দায়ী নয়। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী এ কথা উল্লেখ করেছেন। বাংলাদেশ এখন ‘সবুজ এনার্জি’র ওপর গুরুত্ব দিয়ে প্রযুক্তি হস্তান্তরের সহযোগিতা চাইতে পারে। বিকল্প জ্বালানীর উৎস বাংলাদেশকে খুঁজতে হবে। সৌরবিদ্যুৎ, বায়ুবিদ্যুৎ, নবায়নযোগ্য জ¦ালানির ওপর বাংলাদেশকে গুরুত্ব দিতে হবে। ৪৮টি দেশের সমন্বয়ে  Climate Vulnerable Forum গঠিত হয়েছে। বাংলাদেশ এর সভাপতি। সুতরাং বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের দিকে তাকিয়ে থাকবে সারাালান। চলতি বছরের নভেম্বরে গ্লাসগোতে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে কপ-২৬ শীর্ষ সম্মেলন। ওই সম্মেলনকে সামনে রেখেই বাংলাদেশকে একটি বড় পরিকল্পনা প্রণয়ন করতে হবে। প্রস্তুতিটা নিতে হবে এখনই।

অধ্যাপক ড. তারেক শামসুর রেহমান জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের সাবেক চেয়ারম্যান ও বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের সাবেক সদস্য ছিলেন। আন্তর্জাতিক রাজনীতি ও কূটনীতির বিশ্লেষণী লেখার জন্য তিনি পরিচিত। বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যাপনা আর অন্যান্য কাজের পাশাপাশি তিনি গুরুত্বপূর্ণ দেশীয় ও আন্তর্জাতিক প্রসঙ্গে পত্রিকায় কলাম লিখতেন। নিয়মিত লিখতেন দেশ রূপান্তরে। গত ১৭ এপ্রিল তিনি আকস্মিকভাবে মৃত্যুবরণ করেন। মৃত্যুর আগে এই লেখাটি পাঠিয়েছিলেন দেশ রূপান্তরে। তার প্রতি আমাদের গভীর শ্রদ্ধা। 

বার্তা সূত্র

Share on facebook
Share on twitter
Share on whatsapp
Share on email