Skip to content

‘কেউ যেন মনে না করে যে তারা ভারত থেকে খ্রিস্টান ধর্মকে নির্মূল করতে পারবে’

‘কেউ যেন মনে না করে যে তারা ভারত থেকে খ্রিস্টান ধর্মকে নির্মূল করতে পারবে’

রাশিদুল ইসলাম: [২] ভারতে বিজেপিশাসিত মণিপুরে চলমান সহিংসতার মধ্যে, কেরালা ক্যাথলিক বিশপ কাউন্সিলের (কেসিবিসি) সভাপতি কার্ডিনাল মার ব্যাসিলিওস ক্লেমিস বলেছেন, কেউ যেন মনে না করে যে তারা ভারত থেকে খ্রিস্টান ধর্মকে নির্মূল করতে পারবে। পার্সটুডে

[৩] শনিবার কেরালায় মণিপুর ইস্যুতে কংগ্রেস বিধায়কের নেতৃত্বে একটি বিক্ষোভে বক্তব্য রাখার সময়ে কার্ডিনাল মার বাসেলিওস ক্লিমিস ওই মন্তব্য করেন। ক্লেমিস সহিংসতা বিধ্বস্ত মণিপুরে অবিলম্বে শান্তি পুনরুদ্ধারের জন্য কেন্দ্রীয়  সরকারের হস্তক্ষেপের দাবি জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে এই বিষয়ে তার নীরবতা ভাঙার জন্য আহ্বান জানিয়েছেন।

[৪] তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী মোদির এখন এই বিষয়ে নীরবতা ভাঙা উচিত। ভারতে গণতন্ত্র অক্ষুণ্ণ রয়েছে, এমন বার্তা বিশ্বকে দেওয়ার এটাই তার কাছে সেরা সুযোগ। আর্চবিশপ ক্লেমিস বলেন, ‘আমাদের সংবিধানে লেখা ধর্মনিরপেক্ষতা একটি আলংকারিক শব্দ নয় বরং প্রণীত দর্শন। আমাদের মহান সংবিধান যে কোনও ধর্ম পালনের অধিকার দেয়। কেন লুকিয়ে রাখা হচ্ছে এই ভাবনাকে? কেন্দ্রীয় সরকারের উচিত নীরবতা ভেঙে মণিপুরে শান্তি ফিরিয়ে আনতে হস্তক্ষেপ করা।’

[৫] কেন্দ্রীয় সরকারকে নিশানা করে আর্চবিশপ ক্লেমিস বলেন, ‘মণিপুরে ৬৫ দিন ধরে দুটি সম্প্রদায়ের মধ্যে দাঙ্গা চলছে, কেন ‘সার্জিক্যাল স্ট্রাইক’ পরিচালনার জন্য পরিচিত সরকার এই দাঙ্গা নিয়ন্ত্রণ করতে পারছে না?’ কেরালার অন্য খ্রিস্টান বিশপরা এই বিষয়ে কেন্দ্রীয় সরকারের হস্তক্ষেপের দাবি জানিয়েছেন।  

[৬] প্রসঙ্গত, ‘মেইতেই’ সম্প্রদায়কে ‘তফসিলি উপজাতি’র মর্যাদা দেওয়ার প্রচেষ্টাকে কেন্দ্র করে গত ৩ মে থেকে মণিপুরে মেইতেই সম্প্রদায় এবং উপজাতীয় কুকি সম্প্রদায়ের মধ্যে সহিংসতা শুরু হয়। সেখানে মেইতেই ও কুকি সম্প্রদায়ের মধ্যে সাম্প্রতিক সহিংসতা কার্যত ধর্মীয় দাঙ্গার রূপ নিয়েছে। পোড়ানো হয়েছে একাধিক চার্চ এবং মন্দির। রাজ্যটিতে আদিবাসী জনগোষ্ঠীর একটা অংশ খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বী।

বার্তা সূত্র

সর্বাধিক পঠিত

সর্বশেষ সংবাদ