Skip to content

‘ওভাবে কেউ কাজল পরে আদাব বলে না পাকিস্তানে’! ট্রোলের মুখে ‘মিশন মজনু’র ট্রেলার

‘ওভাবে কেউ কাজল পরে আদাব বলে না পাকিস্তানে’! ট্রোলের মুখে ‘মিশন মজনু’র ট্রেলার

চলতি সপ্তাহেই প্রকাশ্যে এসেছে ‘মিশন মজনু’-র ট্রেলার, যা তৈরি হয়েছে ১৯৭১ সালের ভারত-পাক যুদ্ধের প্রেক্ষাপটের উপরে। এই স্পাই থ্রিলারে প্রধান চরিত্রে অভিনয় করেছেন সিদ্ধার্থ মলহোত্রা এবং রশ্মিকা মন্দনা। তবে এই ট্রেলারে খুশি নয় নেট-নাগরিকদের বড় একটা অংশ। বরং তাঁদের দাবি এই সিনেমায় সেই বাঁধাধরা দৃষ্টিভঙ্গিতেই দেখানো হয়েছে পাকিস্তানিদের। নির্মাতারা এই সিনেমাকে ‘সত্য ঘটনা দ্বারা অনুপ্রাণিত’ বলে দাবি করলেও টুইটারের বড় একটা অংশ প্রায় চোখে আঙুল দিয়েই দেখিয়ে দিচ্ছে মিশন মজনু-র নান্দনিক এবং বাস্তবিক ত্রুটিগুলি।

RSVP Movies অনুসারে এই সিনেমা ‘শত্রুদের এলাকায় গিয়ে আমাদের গোয়েন্দা সংস্থার দ্বারা পরিচালিত সবচেয়ে মারাত্মক গোপন অভিযান।’ ছবি দেখে যে কেউ ধারণা করবে সিদ্ধার্থ মালহোত্রা একজন ভারতীয় আন্ডারকভার এজেন্টের ভূমিকায় অভিনয় করেছেন, যিনি একটি ‘ অবৈধ’ পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের সন্ধানের দায়িত্ব নিয়ে পাকিস্তানে যান। আরও পড়ুন: ‘পাঠান’ নিয়ে শাহরুখের উপর বিরক্ত জন? ইনস্টা স্টোরিতে যা লিখলেন ‘ভিলেন’

নেটপাড়ার দাবি ছবিতে কোনও নতুনত্ব নেই। সেই পাকিস্তানে গিয়ে আন্ডারকভার এজেন্ট কুর্তা পরছে, চোখে কাজল লাগাচ্ছে। সেই রগরগে গা রম করা ডায়লগ। সবাইকে ‘আদাব’, ‘জানাব’বলে বেড়াচ্ছে। আরও পড়ুন: ‘মা-বউ সবাই ক্যানসারে মারা গিয়েছে, আমি কেমোথেরাপি নেব না’: সঞ্জয় দত্ত

একজন টুইটার ব্যবহারকারী লিখেছেন, ‘পাকিস্তানে একজন ভারতীয় গুপ্তচরকে ধরা খুব সহজ হবে। কারণ তারাই একমাত্র সুরমা, তসবি, টোপি, কুর্তা সালোয়ার পরে ঘুরে বেড়াবে। আর সবাইকে আদব জানাব বলবে।’ অবনেকেরই দাবি এই সিনেমা ‘ফাঁপা জাতীয়তাবাদ’-এর এক বড় উদাহরণ হতে চলেছে।

প্রসঙ্গত, একসময় এই সিদ্ধার্থ মলহোত্রাকেই কিন্তু সকলে ভালোবাসা দিয়েছিল শেরশাহ ছবিতে। তখন সোশ্যাল মিডিয়ায় হত তাঁকে নিয়ে মাতামাতি। কিন্তু বোঝা যাচ্ছে, মিশন মজনু সেভাবে জায়গা করতে পারেনি দর্শকদের মনে, অন্তত ট্রেলার। অতিরিক্ত পরিমাণে ‘দেশপ্রেম’-এর সিনেমা বানানোই এর কারণ নয় তো?

 

বার্তা সূত্র