Skip to content

উন্নয়নের পেছনে রয়েছে সংসদীয় গণতন্ত্রের স্থিতিশীলতা: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

উন্নয়নের পেছনে রয়েছে সংসদীয় গণতন্ত্রের স্থিতিশীলতা: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সংসদে বলেছেন, “২০০৮ সাল থেকে সংসদীয় গণতন্ত্রের স্থিতিশীলতা বাংলাদেশে ব্যাপক উন্নয়নের সুযোগ তৈরি করেছে।” বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে শুক্রবার (৭ এপ্রিল) সংসদে প্রস্তাব উত্থাপন কালে এ কথা বলেন সংসদ নেত্রী শেখ হাসিনা। বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের ৫০ বছর পূর্তি দিবসে, গোপালগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য শেখ হাসিনা, কার্যপ্রণালী বিধির ১৪৭ ধারায় এ প্রস্তাব উত্থাপন করেন তিনি।

শেখ হাসিনা বলেন, “বিগত তিন মেয়াদে ২০০৮, ২০১৪ এবং ২০১৮ সালের নির্বাচন সংবিধানের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে, বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের ধারাবাহিক অগ্রগতি, সংসদীয় গণতন্ত্রের ধারাবাহিকতা এবং রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা বাংলাদেশের ব্যাপক উন্নয়নের ক্ষেত্র তৈরি করেছে।”

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন,“এই সুযোগের ধারাবাহিকতায়, বাংলাদেশ সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এমডিজি) সফলভাবে বাস্তবায়ন, দারিদ্র্যের হার ৪০ শতাংশ থেকে ১৮ শতাংশে নামিয়ে আনা, বাংলাদেশের ক্রমান্বয়ে টেকসই উন্নয়ন, বাংলাদেশকে উন্নত রাষ্ট্রে পরিণত করার মতো অনেক সাফল্য অর্জন করেছে।” তিনি বলেন, “সামগ্রিকভাবে, জনজীবনের উন্নয়নে বাংলাদেশ আজ বিশ্বের এক বিস্ময়।”

প্রধানমন্ত্রী তার প্রস্তাবে বলেন, “বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের ৫০ বছরের শুভ মুহুর্তে, অভিমত যে সংসদীয় গণতন্ত্রের কেন্দ্র হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ মান উন্নয়নে কার্যকর ও সক্রিয় ভূমিকা পালন করবে। জনগণের জীবন এবং তাদের আশা-আকাঙ্খার সফল বাস্তবায়ন করবে।”

সংসদ নেত্রী শেখ হাসিনা বলেন, “এভাবে গণতন্ত্র সুদৃঢ় হবে, একটি শোষণমুক্ত সমাজব্যবস্থা প্রতিষ্ঠিত হবে, সকলের জন্য সমতা ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত হবে, আমরা সবাই মিলে এই প্রতিশ্রুতি পূরণে কাজ করবো। সংবিধান, এবং বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্নের একটি সুখী, সমৃদ্ধ, উন্নত, ক্ষুধা ও দারিদ্রমুক্ত স্মার্ট বাংলাদেশ এবং সোনার বাংলা গড়ে তোলা; এটাই আমাদের দৃঢ় প্রত্যয় হওয়া উচিত।”

এর আগে, রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ জাতীয় সংসদের ৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে সংসদে ভাষণ দেন। ১৯৭৩ সালের ৭ এপ্রিল স্বাধীন বাংলাদেশে প্রথম সংসদের অধিবেশন হয়।

সূত্র: ভয়েজ অব আমেরিকা