Skip to content

‘উত্তরবঙ্গকে ভাঙতে বিহার থেকে আসছে অস্ত্র’, দাবি মমতার! পাল্টা জবাব দিল বিহারও

'উত্তরবঙ্গকে ভাঙতে বিহার থেকে আসছে অস্ত্র', দাবি মমতার! পাল্টা জবাব দিল বিহারও

বাংলাহান্ট ডেস্ক : আসন্ন পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে উত্তপ্তবঙ্গের রাজনীতি।এটই মধ্যে বিজেপিকে নিশানা করে বিস্ফোরক অভিযোগ তুললেন খোদ রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়(Mamata Banerjee)। উত্তরবঙ্গের বিচ্ছিন্নতাবাদী আন্দোলনকে উসকানি দেওয়ার জন্য সীমান্ত পার করে বিহার থেকে অস্ত্র আনা হচ্ছে অস্ত্র। নাকা চেকিংয়ে আরও কড়াকড়়ি করার ব্যাপারে রাজ্যপুলিসের ডিজিকে নির্দেশ দিলেন মুখ্যমন্ত্রী।

মুখ্যমন্ত্রী ডিজি মনোজ মালব্যকে নির্দেশ দেন, সব জায়গায় নাকা চেকিং বাড়াতে হবে। বিহার থেকে হাজার টাকাতেও অস্ত্র আসছে। ওপার থেকেও আসছে। এদিক ওদিক থেকে আসছে। এসব তো সামলাতে হবে। আমাদের উত্তরবঙ্গকে ছত্রভঙ্গ করার জন্য ওপার থেকে অস্ত্র আসছে।নদিয়ার রানাঘাটে প্রশাসনিক বৈঠকে সরব হলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রাজ্যের পদস্থ আমলা, পুলিশ আধিকারিকরাও এই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন। এদিকে মমতার এই মন্তব্যের পরই সরব হয়েছে বিরোধী পক্ষ। নানা প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে মুখ্যমন্ত্রীর মন্তব্যের প্রেক্ষিতে।

বিজেপি নেতা রাহুল সিনহা বলেন, মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে এটা তাঁর ব্যর্থতা। বাংলা বিহার সীমান্ত তো রাজ্য পুলিসই পাহারা দেয়। যদি এই অস্ত্র অন্য দেশ থেকে আসে তবে সেই সীমান্তে পাহারা দেয় বিএসএফ। কিন্তু সেই অস্ত্র যখন রাজ্য পুলিসের এলাকায় আসে তখন রাজ্য পুলিস কী করছিল?

এদিকে মুর্শিদাবাদের তৃণমূল এমপি আবু তাহের জানান, প্রতিটি ছোট ঘটনাতেই সাম্প্রদায়িক মোড়ক দেওয়ার প্রবণতা দেখা যাচ্ছে। নির্বাচন যত আসছে এই ধরনের ঘটনা আরও বৃদ্ধি পাচ্ছে। এদিন, কোনও রাজনৈতিক দলের নাম না করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ‘ডিসেম্বরে কিছু লোকজন সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা করার পরিকল্পনা করছে।’ অপরদিকে বিহারের সংসদ বিষয়কমন্ত্রী বিজয় কুমার চৌধুরী বলেন, ‘পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী এব্যাপারে বিহার সরকারের সঙ্গে সরকারিভাবে কেন যোগাযোগ করছেন না? কোনও নির্দিষ্ট প্রমাণ ছাড়া এই ধরনের ভিত্তিহীন অভিযোগ কারোর জন্যই ভালো না। ‘

সংবাদ সূত্র