আলোচনা ও ভিউ দুজায়গাতেই এগিয়ে অলির গান

আলোচনা ও ভিউ দুজায়গাতেই এগিয়ে অলির গান

এন্টারটেইনমেন্ট করেসপন্ডেন্ট

আলোচনা‌ তৈরি করেছে ওয়েব ফিল্ম ‘নেটওয়ার্কের বাইরে’। মিজানুর রহমান আরিয়ান পরিচালিত ছবিটির গানও পেয়েছে দর্শকপ্রিয়তা। ছবির তিনটি গানই পাচ্ছে প্রশংসা। এর মধ্যে সোমেশ্বর অলির লেখা, সাজিদ সরকারের সুর-সংগীতে ‘রূপকথার জগতে’ ও ‘চল বন্ধু চল’ গান দুটি ভিউয়ের দিক দিয়েও রয়েছে এগিয়ে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়েছে অবন্তী সিঁথি ও রেহান রসূলের গাওয়া ‘রূপকথার জগতে’ গানের বিভিন্ন পংক্তি। ‘আমায় ডেকো একা বিকেলে, কখনো কোনো ব্যথা পেলে’ এখন তরুন-তরুনীদের মুখে মুখে। গানের বিভিন্ন অংশ থেকে নিজেরাই ভিডিও তৈরি করছেন, কপোত-কপোতীরা অডিও জুড়ে দিচ্ছেন নিজেদের করা ভিডিওতে, তা আপলোড করছেন ফেসবুক, টিকটক, ইউটিউব ও ইনস্টাগ্রামে। ‘রূপকথার গান’ এখন পর্যন্ত ইউটিউবে দেখা হয়েছে ৪৫ লক্ষ বার। একই গান চরকির ফেসবুক পেইজ থেকে দেখা হয়েছে প্রায় ৮ লক্ষ বার।

‘রূপকথার জগতে’ গানের প্রশংসায় ভাসছেন গীতিকার সোমেশ্বর অলি। তিনি কী মনে করেছিলেন গানটি এতো দর্শকপ্রিয়তা পাবে? হবে বিশেষ কিছু? জানালেন এটি লেখার প্রেক্ষাপট। তিনি বলেন, ‌’লেখার আগে বিশেষ কিছু মনে হয় নি। গল্পের প্রয়োজনে একটি রোমান্টিক দ্বৈত গান লাগবে বলে জানিয়েছিলেন নির্মাতা আরিয়ান। জানা ছিল, দৃশ্যধারণ হবে সমুদ্র এলাকায়। সেই কথা মাথায় রেখে শুরুতে একটা লিখেছিলাম সামুদ্রিক দৃশ্যাবলীকে শব্দবন্দি করে। আরিয়ান সেটি হাতে রেখে জানালেন, আরেকটু অন্য রকম কিছু লিখতে। এরপর লিখি ‘রূপকথার জগতে’। এবার পছন্দ হলো তার। সাজিদ একাধিক সুর দিলেন তাতে। শেষমেশ এটি চূড়ান্ত হলো। তখনও আমরা ভাবিনি, গানটি এত প্রশংসা পাওয়ার মতো কিছু হয়েছে।’

গানটির বিশেষত্ব কী, কেন সবাই পছন্দ করছে- এমন প্রশ্নের জবাবে অলি বলেন, ‘বিশেষত্ব বলতে, গানটির সবকিছু পরিমিত। শব্দ চয়ন, বাক্যগঠন, অন্তঃমিল, ছন্দ, গায়কী, সুর ও সংগীত, এমনকি দৃশ্যায়ন— সবকিছুতে নান্দনিকতার ব্যাপার থাকায় হয়তো সবাই সুন্দরভাবে গ্রহণ করেছেন।’

নাটক ও ওয়েব ফিল্মের গান লেখায় বর্তমানে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন সোমেশ্বর অলি। ১৫ বছরের সংগীত জীবনে তার লেখা বিভিন্ন গান প্রশংসিত হয়েছে, পেয়েছে জনপ্রিয়তা। এই তালিকায় আছে লুৎফর হাসানের ‘ঘুড়ি তুমি কার আকাশে ওড়ো, ‘আমার আকাশ পুরোটাই’, ‘আয়না দিয়ে ঘর বেঁধেছি’, ‘‌খরচাপাতির গান’, ‘ মিফতাহ জামানের ‘তাই তোমার খেয়াল’, ‌মাহতিম শাকিবের ‘বুকের বাঁ পাশে’, ‌‘না থাকা জুড়ে’, ‘মুঠোর ভেতর তুমি নেই’, ঐশীর ‘মায়া’, তানজীব সারোয়ারের ‘‌ভেজা ভেজা চোখ’, ‘বোহেমিয়ান’, তাহসান-পূজার ‘একটাই তুমি’, ‌সুমন কল্যাণের ‘ছাতার কারিগর’, ‘সুইসাইড নোট’, বেলাল খানের ‘দোযখ’, দোলার ‌’জোছনা’, ইমরান ও কনার ‘‌শূন্য থেকে আসে প্রেম’, তাহসিনের ‘মন ভালো হয়ে যায়’, ‘সান্ত্বনা’, ‘নরকবাস’, ‘তুমি আমারই’, জয় শাহরিয়ারের ‘আমি নেই’, পথিক নবীর ‘জোড়া শালিক’, কুদ্দুস বয়াতী-প্রীতম হাসানের ‘আসো মামা হে’, পিন্টু ঘোষের ‘এক মুজিব’, ‘তোমার মুখ’, মিনারের ‘হৃদয়ের ডাক’, সাব্বির নাসিরের ‘আবোল তাবোল’ প্রভৃতি।

সারাবাংলা/এজেডএস



বার্তা সূত্র

Share on facebook
Share on twitter
Share on whatsapp
Share on email

সর্বাধিক পঠিত

সর্বশেষ সংবাদ