আর্থিক সাহায্য করবে পিএম কেয়ার্স, শিশুদের নাম নথিভুক্ত করতে পোর্টাল আসছে শীঘ্রই

আর্থিক সাহায্য করবে পিএম কেয়ার্স, শিশুদের নাম নথিভুক্ত করতে পোর্টাল আসছে শীঘ্রই

খবর অনলাইন ডেস্ক: করোনা মহামারির জেরে যে শিশুরা তাদের দুই অভিভাবককেই হারিয়েছে, পিএম কেয়ার্স তহবিল থেকে তাদের জন্য আর্থিক সাহায্য থেকে পড়াশোনার যাবতীয় খরচবহনের অঙ্গীকার করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। এই উদ্দেশে গড়ে উঠেছে পিএম কেয়ার্স ফর চিলড্রেন স্কিম। এই প্রকল্পে অনলাইন রেজিস্ট্রেশন এবং আবেদনের অবস্থান খতিয়ে দেখার জন্য শীঘ্রই একটি পোর্টাল চালু করছে কেন্দ্রে।

কোভিডে মা-বাবা, আইনি অভিভাবক, দত্তক গ্রহণকারী মা-বাবাকে হারানো শিশুদের সহযোগিতা করা হবে এই প্রকল্পে। গত ২০২০ সালের মার্চে মহামারি শুরু হওয়ার পর থেকে যে শিশুরা করোনায় নিজেদের উভয় অভিভাবককেই হারিয়েছে তারা এই প্রকল্পের সুবিধা পাবে।

কেন্দ্রের বিবৃতি অনুযায়ী, এ ধরনের শিশুরা ১৮ বছরে পা দিলে মাসিক স্টাইপেন্ড পাবে। এর পর ২৩ বছর বয়সে এককালীন ১০ লক্ষ টাকা দেওয়া হবে। টাকার জোগান দেবে পিএম কেয়ারস ফান্ড।

কেন্দ্রের পাশাপাশি বিভিন্ন রাজ্য সরকারের তরফেও এ ধরনের শিশুদের আর্থিক সাহায্য ঘোষণা করা হয়েছে। দিল্লি, কেরল, কর্নাটকের মতো রাজ্যগুলি ইতিমধ্যেই এই প্রকল্প চালু করেছে।

কী ধরনের সহযোগিতা পাবে অভিভাবকহীন শিশুরা?

দুই অভিভাবককেই হারানো ১০ বছরের কম বয়সি শিশুদের কাছের কোনো কেন্দ্রীয় বিদ্যালয়ে ভরতি করা হবে। অথবা কোনো বেসরকারি স্কুলে ভরতি হলে শিক্ষার অধিকার আইনানুযায়ী পিএম কেয়ারস ফান্ড থেকে তাদের স্কুলের ফি দেওয়া হবে।

পাশাপাশি ওই শিশুদের স্কুলের পোশাক এবং পাঠ্য বইয়ের খরচও দেওয়া হবে।

১১-১৮ বছর বয়সিদের সৈনিক স্কুল, নবোদয় বিদ্যালয়ের মতো কোনো কেন্দ্রীয় সরকারি আবাসিক স্কুলে ভরতি করা হবে।

কোনো অনাথ শিশু যদি কোনো নিকট আত্মীয়ের কাছে থাকে, তা হলেও সে কাছের কোনো কেন্দ্রীয় বিদ্যালয় বা বেসরকারি স্কুলে ভরতি হতে পারবে।

২৩ বছর বয়স হলে ব্যক্তিগত অথবা পেশাগত দরকারে এককালীন ১০ লক্ষ টাকা দেওয়া হবে।

প্রত্যেক শিশুই ১৮ বছর বয়স পর্যন্ত আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্পে ৫ লক্ষ টাকার স্বাস্থ্য বিমার সুবিধা পাবে বিনামূল্যে।

আরও পড়তে পারেন: সংক্রমণ বেশ কিছুটা বাড়লেও পশ্চিমবঙ্গে কোভিডে মৃতের সংখ্যা কমল অনেকটাই

সংবাদ সূত্র

Share on facebook
Share on twitter
Share on whatsapp
Share on email