Skip to content

আগামী বছর পদ্মা সেতু হয়ে বেনাপোল-ঢাকা রুটে ট্রেন চলবে

আগামী বছর পদ্মা সেতু হয়ে বেনাপোল-ঢাকা রুটে ট্রেন চলবে

২০২৪ সালের মধ্যে পদ্মা সেতু হয়ে বেনাপোল-ঢাকা রুটে যাত্রীবাহী ট্রেন চলাচল শুরু হবে। সাধারণ ও ভারত-বাংলাদেশের মধ্যে যাতায়াতকারী পাসপোর্টধারী যাত্রীরা স্বাচ্ছন্দ্যে যাতায়াত করতে পারবেন। 

আজ শক্রবার সকালে বেনাপোল রেলস্টেশন পরিদর্শন শেষে বাংলাদেশ রেলওয়ে মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. মো. হুমায়ুন কবির গণমাধ্যমকর্মীদের এ কথা বলেন। 

এ সময় সচিব আরও বলেন, রেলে দিন দিন বাণিজ্য ও ভ্রমণে আগ্রহ বাড়ছে মানুষের। এতে বেনাপোল রেলওয়ে স্টেশনকে আধুনিকায়ন ও উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড সম্প্রসারণ করা হবে। পাশাপাশি যাত্রী সেবার মান বাড়ানোর লক্ষে বেনাপোল রেলস্টেশনে যাত্রী বিশ্রামাগার নির্মাণ করা হবে। বহিরাগতরা যাতে স্টেশন এলাকায় প্রবেশ করতে না পারে সে জন্য নজরদারি ও বাড়ানো হবে। 

পরিদর্শনের সময় তাঁর সঙ্গে ছিলেন—রেলওয়ের রাজশাহী অঞ্চলের চিপ ইঞ্জিনিয়ার আসাদুজ্জামান, যশোরের জেলা প্রশাসক তমিজুল ইসলাম খান, বেনাপোল কাস্টমস হাউজের ডেপুটি কমিশনার তানভীর আহম্মেদ, ৪৯ বিজিবি ব্যাটালিয়নের উপ-অধিনায়ক মেজর সেলিমুদ্দোজা, শার্শা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নারায়ণ চন্দ্র পাল, সহকারী কমিশনার (ভূমি) ফারজানা ইসলাম, রেলওয়ের নিরাপত্তা কর্মকর্তা মোর্শেদ আলম। সিএন্ডএফ এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের সাবেক সভাপতি মফিজুর রহমান সজন। 

পোর্ট সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে বেনাপোল বন্দর দিয়ে রেল পথে ভারতের সঙ্গে আমদানি বাণিজ্য ও যাত্রী পরিবহন হয়। এ ছাড়া অভ্যন্তরীণ রুটেও রেল চলছে। আগে রেলে শুধু সার ও পাথর জাতীয় পণ্য আমদানি হলেও বর্তমানে সব ধরনের পণ্য আসছে রেল পথে। এতে সরকারের রাজস্বও বাড়ছে। 

এদিকে বেনাপোল রেলস্টেশনে পণ্য খালাসের জন্য ইয়ার্ড না থাকায় এসব পণ্য রেল থেকে আনলোড করতে ভোগান্তি পেতে হয়। সড়কের বেহাল দশা থাকায় পণ্য খালাস ও ট্রাক চলাচল ব্যাহত হয়। ইতিপূর্বে কিছু উন্নয়ন হলেও তা প্রয়োজনের চেয়ে অনেক কম। 

বেনাপোল সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের সাবেক সভাপতি মফিজুর রহমান সজন জানান, রেল খাতকে সম্প্রসারণ করা হলে বর্তমানে যে পরিমাণ পণ্য আমদানি ও রাজস্ব আসছে তখন এর দ্বিগুণ আসবে।



বার্তা সূত্র